ডিএসইর অর্ধেক লেনদেন জ্বালানি ও ওষুধ খাতে

আপডেট : ০৬ মে ২০১৫, ০৩:২৬

টানা তিন দিন দরপতনের পর গতকাল মঙ্গলবার পুঁজিবাজারে বেশিরভাগ শেয়ারের দর বেড়েছে। গত কয়েকদিনের দরপতনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক চার হাজার পয়েন্টের নিচে নেমে আসলেও গতকাল সূচক বাড়ায় তা ফের চার হাজারের উপরে উঠে এসেছে। তবে সূচক বাড়লেও কমেছে বাজারের লেনদেনের পরিমাণ।

 

আইডিএলসির দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ডিএসইর সূচক চার হাজার পয়েন্টের নিচে নেমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বাভাবিক ক্রয়ের প্রবণতা দেখা গেছে। তাছাড়া স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির বৈঠকে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা আশার সঞ্চার হয়েছে। এদিকে গতকাল বাজারে লেনদেনের ক্ষেত্রে জ্বালানি ও ওষুধ খাতের প্রাধান্য ছিল। এ দুই খাতে লেনদেন হয়েছে ১৬০ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় অর্ধেক।

 
তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৫৪ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ১৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ১৬ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৫২২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩২৭ কোটি ৩০ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ৩১১টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২১২টির, কমেছে ৭০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৪০ পয়েন্ট বেড়ে ১২ হাজার ৩৪৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা। যা আগের দিনের তুলনায় ৩৭ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২২১টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৮টির কমেছে ৫২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টি কোম্পানির শেয়ারের।
 

এদিকে সমাপ্ত অর্থবছরে ফারইস্ট ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ঘোষণাকৃত লভ্যাংশ  শেয়ারহোল্ডারদের বিও হিসাবে যোগ হয়েছে। সাড়ে ১২ শতাংশ লভ্যাংশ দেয়ায় কোম্পানিটি ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হতে যাচ্ছে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরে শেষ হওয়া অর্থবছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ এবং আড়াই শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছে। এতে ডিএসই কর্তৃপক্ষ কোম্পানিটিকে ‘জেড’ থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করেছে। যা আজ থেকে কার্যকর হবে।