ভারতের রাজ্যসভায় সীমান্ত বিল পাস হওয়া সরকারের কূটনৈতিক সাফল্য বলে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে এসে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, আমি মনে করি, এটা সরকারের ব্যাপক কূটনৈতিক সাফল্য এবং এ প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত সকলকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলা ভাগের পর থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পর্যন্ত কেউই এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। স্বাধীনতার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যকার কয়েক দশকের পুরনো সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করেন। বঙ্গবন্ধু এর সমাধানে কাজও করেছেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর নৃশংস হত্যাকান্ডের পর এই প্রক্রিয়া থেমে যায় এবং পরবর্তী কোনো সরকার এনিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
তিনি বলেন, ১৯৭৫ এর পরবর্তী সরকারগুলো ভারতের সঙ্গে স্থল সীমান্ত হোক বা সমুদ্র সীমা, কোনো অমিমাংসিত বিষয় নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেয়নি।
শেখ হাসিনা বলেন, দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে ভারত ও অন্যান্য প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ঝুলে থাকা সব সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এলে আবারো এই প্রক্রিয়া থেমে যায়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় ফিরে এসে আওয়ামী লীগ সরকারই এই প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবিত করে। আমরা ইতোমধ্যে ভারতের সঙ্গে স্থল সীমান্ত ও সমুদ্র সীমা- এ দুইটি বিরোধ নিষ্পত্তি করেছি।
