রবীন্দ্র দর্শনের মূলে আছে শান্তি, ঐক্য ও সৃষ্টি

আপডেট : ০৮ মে ২০১৫, ২৩:৩৭
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রবীন্দ্র দর্শনের মূলে আছে সংঘর্ষের বদলে শান্তি, বিভাজনের বদলে ঐক্য এবং ধ্বংসের বিপরীতে সৃষ্টি। তিনি চিরদিনই সৃষ্টির গান গেয়েছেন। রবীন্দ্রনাথের সেই আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়েই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের হাত থেকে আমাদের মুক্তি দিয়েছিলেন। তাই বিশ্বে বাংলাদেশ, বাঙালি জাতি– এ পরিচয়, এ মর্যাদা আমরা পেয়েছি।
 
গতকাল শুক্রবার সকালে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের মডেল পাইলট হাই স্কুল মাঠে জাতীয়ভাবে আয়োজিত রবীন্দ্রনাথের ১৫৪তম জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। একইসঙ্গে শাহজাদপুরে ‘রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিকে ধরে রাখার লক্ষ্যে শান্তিনিকেতনের আদলে কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত এ স্থানেই স্থাপিত হতে যাচ্ছে দেশের ৩৫তম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। কুষ্টিয়াতেও অচিরেই একটি বেসরকারি রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেন। একই দিন তিনি সিরাজগঞ্জে নির্মিত আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, সিরাজগঞ্জ বিদ্যুত্ কেন্দ্রের সম্প্রসারিত কার্যক্রম, ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি, জেলা রেজিস্টারের কার্যালয় এবং যমুনার পাড়ে শেখ রাসেল শিশু পার্কের উদ্বোধন করেন।
 
রবীন্দ্রনাথ বিশ্ব সাহিত্যে অবদান আর বঙ্গবন্ধু বাঙালিকে স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা চাই না বাংলাদেশ উল্টো পথে চলুক। আর্থ-সামাজিক মুক্তি অর্জন আমাদের লক্ষ্য। কিন্তু আন্দোলনের নামে যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে, তাদের সঙ্গে মানুষ থাকে কী করে? ভোট দেয় কিভাবে—এটা বোধগম্য নয়। আমাদের দেশের কিছু মানুষের মধ্যে সেই চেতনা ও মানবতাবোধ আসে না কেন? যখন পুড়িয়ে পুড়িয়ে মানুষকে মারা হয়, তখনও তাদের বিবেক জাগ্রত হয় না কেন?
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রবীন্দ্রনাথ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে গেছেন আর জাতির পিতা আমাদের স্বাধীন সত্তা দিয়ে বিশ্বে নিজের স্বকীয়তায় উদ্ভাসিত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। মানবমুক্তির পথে রবীন্দ্রনাথের যে প্রত্যাশা তা পূরণ করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশকে স্বাধীন করে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য বঙ্গবন্ধু পথ দেখিয়েছিলেন। জাতির জনকের প্রদর্শিত সেই পথ ধরেই আজ অর্থনৈতিক মুক্তির পথে আমরা এগিয়ে চলেছি।
 
শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের নদী, আকাশ, পাখির গান ভালোবাসতেন রবীন্দ্রনাথ। তার রচনার একটা উল্লেখযোগ্য অংশ এই বাংলাদেশে রচিত। নোবেল প্রাইজের টাকা তিনি বাংলাদেশেই কৃষি উন্নয়নে ব্যয় করেছিলেন। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি রবীন্দ্রনাথের নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় শাহজাদপুরে স্থাপন করবো। যে বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্য সব বিষয়ের পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথের ওপরে গবেষণাধর্মী কাজ করা হবে।
 
এসময় শেখ হাসিনা বলেন, সরকার চায় এ দেশের মানুষ সুন্দরভাবে বাঁচবে। তাই শিল্পসাহিত্যের বিকাশের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। সিরাজগঞ্জের দুগ্ধ খামার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সময় এখানে কয়েক হাজার বিঘা গো-চারণ ভূমি দেয়া হয়। গাভী পালন শুরু হয়। একে কেন্দ্র করেই পরে দুগ্ধ খামার গড়ে ওঠে। মিল্ক ভিটা দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাত করতে আধুনিক যন্ত্রপাতি আনা হবে। বিদেশেও দুধ রপ্তানি করা হবে। তাঁত শিল্পের উন্নয়ন করা হবে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে তিনি তাঁতের শাড়ি পছন্দ করেন। এছাড়া শাহজাদপুর উপজেলার নরিনায় করতোয়া নদীর ওপরে ব্রিজ নির্মাণেরও আশ্বাস দেন তিনি।
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ভূখণ্ডের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের ছিল গভীর আত্মিক সম্পর্ক। তার লেখায় মানবতা ও অসাম্প্রদায়িকতাবোধের পাশাপাশি বিপ্লবী চেতনাও ফুটে উঠেছে। তিনি কখনো অন্যায়-অবিচার-অত্যাচার মেনে নেননি। কবিগুরু জমিদার হলেও প্রজাবত্সল ছিলেন। প্রজাদের চুষে খেতেও আসেননি তিনি। বরং তার জমিদারির অনেকটাই কৃষক ও প্রজাদের মধ্যে বিলিয়ে দিয়েছেন।
 
কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সব খাতে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তার সরকারের সাফল্যে ও উন্নয়নের বিবরণ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ কাজ করে চলেছে। আমরা চাই বাংলাদেশ বিশ্বসভায় মাথা উঁচু করে  মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী ২০২০ সালকেও আমরা পালন করবো। ২০২১ সালের মধ্যেই একটি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ উপহার দেবো।
 
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। সভায় ‘সভ্যতার সংকটে রবীন্দ্রনাথ’ স্মারক বক্তৃতা করেন প্রফেসর এমিরেটাস ড. আনিসুজ্জামান। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম এবং শাহজাদপুরের সংসদ সদস্য মো. হাসিবুর রহমান স্বপন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব আক্তারি মমতাজ, ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. বিল্লাল হোসেন। আলোচনা শেষে জাতীয় ও স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
 
এর আগে সকাল ৯টায় ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারযোগে শাহজাদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। ১০টায় বাঘাবাড়ি হেলিপ্যাডে নেমে তিনি সরাসরি অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ সময় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ডা. দীপু মনি, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, এডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর, অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত এমপি, আবদুল মজিদ মন্ডল এমপি, তানভীর ইমাম এমপি, হাবিবুর রহমান এমপি, রাজশাহীর সাবেক মেয়র এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
 
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে মানুষের স্রোতে অনুষ্ঠানস্থল বিশাল জনসভার রূপ নেয়। হাইস্কুলের বিশাল মাঠ ছাপিয়ে তা আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ে। বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে সিরাজগঞ্জ রোড হয়ে উল্লাপাড়া, শাহজাদপুর পর্যন্ত দৃষ্টিনন্দন ডিজিটাল তোরণ, ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে বর্ণিলভাবে সাজানো হয়। পুরো এলাকায় গড়ে তোলা হয়েছিল নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়।
 
অনুষ্ঠানে প্রফেসর এমিরেটাস ড. আনিসুজ্জামান স্মারক বক্তৃতায় বলেন, রবীন্দ্রনাথ তার রচনায় পাশ্চাত্য সভ্যতার স্বেচ্ছাচারিতার কথা বলেছিলেন। সভ্যতার সংকটের কথা বলতে যেয়ে মানুষের ওপরে মানুষের নিপীড়নের কথা বলেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি সেই মানুষের ওপরেই আস্থা রাখার কথাই বলেছেন। মানুষের ওপরে রবীন্দ্রনাথের এই আস্থা রাখার কথা আজ কালোত্তীর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে—তা আমরা সবাই জানি।
 
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও এম মনসুর আলীর পরে সিরাজগঞ্জবাসীর জন্য এতো উন্নয়ন আর কেউ করেনি। প্রধানমন্ত্রীর আগমন তাই সিরাজগঞ্জবাসীর জন্য একটি অনন্য দিন। তিনি আরও বলেন, সিঙ্গাপুরের সদ্য প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী লি কুয়ান ইউ ২৫ বছরে আর মালয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট মাহাথির মোহাম্মদ ২২ বছর সরকার পরিচালনা করে তাদের দেশকে উন্নত দেশে পরিণত করেছিলেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও এই সময় দেয়া হলে তিনিও বাংলাদেশকে দ্রুততম সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করবেন।
 
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, বাংলাদেশকে শিক্ষিত, দক্ষতাসম্পন্ন জাতি হিসাবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাখাতে যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা বিশ্বে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে অনুসরণীয় হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে। এইচ টি ইমাম বলেন, রবীন্দ্রনাথের দেশপ্রেম বঙ্গবন্ধুকে ব্যাপক অনুপ্রাণিত করেছিল। সেই চেতনাই বাঙালির মুক্তির সংগ্রামে জাতির জনককে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে।
 
সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, একজন রবীন্দ্রনাথ থাকলে তাকে অবলম্বন করেই জাতির সকল অগ্রগতি বিকশিত হয়। সেই রবির আলোয় আলোকিত হয়েই আমরা অসাম্প্রদায়িক জাতি হিসাবে মানবমুক্তির পথে এগিয়ে চলবার প্রেরণা পাই।
 
শিলাইদহেও হবে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়: কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ও কুমারখালী সংবাদদাতা জানান, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীর তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের প্রথম দিন গতকাল কবির স্মৃতিধন্য কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে মানুষের ঢল নামে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ঘোষণা দেন যে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় বেসরকারি উদ্যোগে শিলাইদহে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই এর কাজ শুরু হবে। তবে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় শিলাইদহে এখনো স্থাপন না হওয়ায় মন্ত্রীর উপস্থিতিতেই সভা মঞ্চে বক্তব্য দেয়ার সময় অতিথিরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। 
 
কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক সৈয়দ বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) কবির বিন আনোয়ার, তথ্যমন্ত্রীর সহধর্মিণী নারী নেত্রী আফরোজা হক রীনা প্রমুখ। স্মারক বক্তা ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল আহসান চৌধুরী। আলোচনা শেষে রবীন্দ্রনাথের গান, কবিতা ও নাটক পরিবেশন করেন স্থানীয় শিল্পীরা।
 
আত্রাই (নওগাঁ) সংবাদদাতা জানান, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত পতিসর-এ বিশ্বকবির জন্মোত্সব সরকারিভাবে পালিত হয়েছে। দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী মুহা. ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ মো. শহীদুজ্জামান সরকার, সংসদ সদস্য মো. ইসরাফিল আলম, মো. ছলিম উদ্দিন তরফদার প্রমুখ।
 
বিকেলে কবির জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাষ্টি প্রাবন্ধিক মফিদুল হক, বিশিষ্ট সাংবাদিক আবেদ খান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড.স্বরোচিষ সরকার, রবীন্দ্র গবেষক প্রফেসর ড. মুহম্মদ আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।
 
ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা জানান, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আজ শনিবার আঠারবাড়ি কলেজ ক্যাম্পাসে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। প্রসঙ্গত, কবিগুরুর স্মৃতি বিজড়িত আঠারবাড়ি জমিদারের কাচারি বাড়িতেই ১৯৬৮ সালে স্থাপিত হয়েছে আঠারবাড়ি ডিগ্রি কলেজ।
 
প্রধানমন্ত্রী গাজীপুর যাচ্ছেন আজ
 
গাজীপুর প্রতিনিধি
 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ গাজীপুরে আসছেন। আজ সকালে তিনি গাজীপুর মহানগরীর সালনায় অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন স্থাপনা উদ্বোধন, নামফলক উন্মোচন এবং কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ উন্নয়ন অনুষদ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
 
বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সুফিয়া কামাল অডিটরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মাহ্বুবর রহমান।
 

বিশেষ অতিথি থাকবেন শিক্ষা মন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ এমপি, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক এমপি, জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, সিন্ডিকেট সদস্য কৃষিবিদ আবদুল মান্নান এমপি, কৃষিবিদ আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাছিম।