‘‘দশমাস দশদিন ধরে গর্ভে ধারণ/কষ্টের তীব্রতায় করেছে আমায় লালন/হঠাত্ কোথায় না বলে হারিয়ে গেল/ জন্মান্তরের বাঁধন কোথা হারালো/সবাই বলে ওই আকাশে লুকিয়ে আছে/ খুঁজে দেখ পাবে দূর নক্ষত্র মাঝে/ রাতের তারা আমায় কি তুই বলতে পারিস/কোথায় আছে, কেমন আছে মা/ ভোরের তারা রাতের তারা মাকে জানিয়ে দিস/ অনেক কেঁদেছি আর কাঁদতে পারি না....’’ গীতিকার ও সুরকার প্রিন্স মাহমুদের সুরে, কণ্ঠশিল্পী জেমস’র গাওয়া গানটি শুনে চোখের জলে বুক ভাসান ১১ দিন আগে মা হারা ‘আতাউর রহমান’। তিনি বলেন, ‘আজ খুব ইচ্ছে করছে, মায়ের জন্যে গিফট কিনতে; মাকে জড়িয়ে ধরে ভালাবাসার কথা বলতে। কিন্ু্ত মা আমার অনেক দূরে ‘না ফেরার দেশে’।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মত বাংলাদেশেও আজ দিবসটি নানা আনুষ্ঠানিকতায় পালিত হবে। মা দিবস প্রথম উদ্যাপিত হয় গ্রিস ও রোমে। প্রাচীন গ্রিকরা তাদের দেবতা গ্রিককের মা রিয়ার সম্মানে উদযাপন করতো বসন্ত উত্সব। ১৬ শতকে যুক্তরাজ্যে ‘মাদারিং সানডে’ নামে একটি দিবস পালিত হতো। যুক্তরাষ্ট্রে এ দিবসটি প্রচলন হয় শান্তিকামী জুলিয়া ওয়ার্ড হোর উদ্যোগে ১৮৭২ সালে। এরই ধারাবাহিকতায় মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর স্বীকৃতি ও প্রসার ঘটে ১৯১৪ সাল থেকে। দিবসটি উপলক্ষে দেশব্যাপী বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে। বিপণী বিতানগুলোতে মায়েদের জন্য, শাড়ি, মগসহ বিভিন্ন গিফ্ট আইটেম সাজিয়ে রেখেছেন। টিভি চ্যানেলগুলোতে থাকছে ‘মাকে নিয়ে’ টকশোসহ নানা অনুষ্ঠান। আজাদ প্রডাক্টস প্রতি বছরের ন্যায় রত্নগর্ভা মায়েদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে, সকাল ১০টায়, আজাদ প্রডাক্ট্স ভবনে।
