বার্গম্যানের সাজা: ২৩ বিবৃতিদাতাদের বিষয়ে আদেশ ১০ জুন

আপডেট : ১৪ মে ২০১৫, ১৫:২৬
 
ব্রিটিশ নাগরিক ডেভিড বার্গম্যানের সাজায় উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতিদানকারী ৫০ জনের মধ্যে ২৩ জনকে আদালত অবমাননার বিষয়ে আদেশ ১০ জুন। বৃহস্পতিবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই আদেশ দেন।
 
এই ২৩ জন হলেন- জাফর উল্লাহ চৌধুরী, আনু মুহাম্মদ, শিরিন হক, রেহনুমা আহমেদ, শহিদুল আলম, সি আর আবরার, লুবনা মারিয়াম, মুক্তাশ্রী চাকমা সাথী, ফরিদা আখতার, আফসান চৌধুরী, বীণা ডি কস্টা, শবনম নাদিয়া, মাহমুদ রহমান, নাসরিন সিরাজ এ্যানি, তীব্র আলী, দেলোয়ার হোসেন, মাসুদ খান, জিয়াউর রহমান, জরিনা নাহার কবির, আলী আহম্মেদ জিয়াউদ্দিন, আনুশেহ আনাদিল, হানা শামস আহমেদ ও লিসা গাজী।
 
আদালত অবমাননার অভিযোগে ২৩ বিবৃতিদাতাদের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে গত ১ এপ্রিল রুল জারি করে ট্রাইব্যুনাল। বৃহস্পতিবার রুলের জবাব দেয়া পর তাদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আখতার ইমাম ও আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন তুহিন আফরোজ।
 
শুনানিতে ট্রাইব্যুনাল বলেন, সাজার বিষয়ে বিবৃতি দিয়ে বিবৃতিদাতারা ‘দায়িত্বহীন আচরণ’ করেছেন।
 
মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের প্রক্রিয়া নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করার দায়ে ডেভিড বার্গম্যানকে গত ২ ডিসেম্বর কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। বিচার কার্যক্রম চলাকালে তিনি কারাদণ্ড হিসেবে এজলাসে এই সাজা ভোগ করেন। একই সঙ্গে বার্গম্যানকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে সাত দিনের কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়।
 
আদালত অবমাননার দায়ে সাজাপ্রাপ্ত নিউ এজ পত্রিকার বিশেষ প্রতিবেদনের সম্পাদক বার্গম্যানের সাজায় উদ্বেগ জানিয়ে দেশের ৫০ নাগরিক গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর বিবৃতি দেন। পরে অবশ্য মানবাধিকারকর্মী খুশী কবির বিবৃতি থেকে তার নাম প্রত্যাহার করে নেন। ১৪ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল ৪৯ বিবৃতিদাতার কাছে তাদের বিবৃতির বিষয়ে ব্যাখ্যা চান। পরে বিবৃতির জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ায় ২৬ বিবৃতিদাতাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন ট্রাইব্যুনাল।
 
গত ১ এপ্রিল ওই ২৩ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল আদালত অবমাননার রুল দেন।