রাজধানীর মধ্য বাড্ডায় রাজধানীর মধ্যবাড্ডায় দুলাল হোসেন (৩২) নামের এক পুলিশ সোর্সকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার বেলা সোয়া ৩টার দিকে মধ্যবাড্ডার কুমিল্লাপাড়া জ-৩৭/১ নম্বর নিজ বাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত দুলাল সবজি ব্যবসার পাশাপাশি ঠিকাদারের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন।
নিহত যুবকের বাবা দেলোয়ার হোসেন ও স্ত্রী কাকলী জানান—মধ্যবাড্ডার কুমিল্লাপাড়ায় জ-৩৭/১ নম্বর বাসায় (বিশ্বাস ভিলা) স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে থাকতেন দুলাল। দুপুর আড়াইটার দিকে তিনি মোটরসাইকেল নিয়ে বাসা থেকে বের হন। বাসার সামনে কিছুদূর এগোতেই তার ওপর হামলা করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় বাসা থাকা স্ত্রী তার চিত্কার শুনতে পান। বাসা থেকে বের হয়ে দেখেন যে নূর মসজিদের কাছে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। দেলোয়ার একই এলাকার জ-৯৩/১ নম্বর বাসায় থাকেন। তিনি ছুটে গিয়ে অন্যদের সহায়তায় ছেলের রক্তাক্ত নিথর দেহ উদ্ধার করেন। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে বিকাল পৌনে ৪টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিত্সক।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে—দুলালের সমস্ত শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বাম হাত কবজি পর্যন্ত প্রায় বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ঝুলছিল। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে তার মৃত্যু হয় বলে ধারণা চিকিত্সকদের।
নিহতের বাবা দেলোয়ার হোসেন জানান—দুলাল স্থানীয় যুবলীগ নেতা কাওসারের সহযোগী ও দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করতেন। তার হয়ে ঠিকাদারি কাজেরও দেখাশোনা করতেন। কারো সঙ্গে দুলালের তেমন বিরোধের কথা কখনে শোনেননি। তাই কে বা কারা কেন তাকে হত্যা করেছে তা পরিবারের কেউ বুঝতে পারছেন না। দুলাল-কাকলী দম্পতির দোলনা (১০) এবং ইভা (৬) নামের দুই মেয়ে রয়েছে।
বাড্ডা থানার ওসি এম এ জলিল বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও আলামত সংগ্রহ করেছে। হত্যার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ব্যক্তিগত বিরোধের জের ধরে এমন ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। হত্যায় জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের জন্য চেস্টা চালাচ্ছে পুলিশ।
