কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা দেশের অর্থনৈতিক মুক্তির দিকনির্দেশক। সরকার এ খাতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ২০২০ সালের মধ্যে এখাতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২০ ভাগে উন্নীত করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ শনিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ইনস্টিটিবউট অব সায়েন্স, ট্রেডে টেকনোলজি (আইএসটিটি) আয়োজিত মেধাবী অথচ অসচ্ছল শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫০০ ল্যাপটপ বিতরণ এবং ছাত্রজীবন শেষ হবার সাথে সাথে সরাসরি কর্মসংস্থানের লক্ষে ৫০টি শিল্প প্রতিষ্ঠানের সাথে জব ট্রেনিং ও জব প্লেসমেন্ট চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে একথা বলেন।
জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালের উপাচার্য মেজর জেনারেল শেখ মামুন খালেদ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মুনাজ আহমেদ নূর, স্টেপ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব মো: ইমরান, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: শাহজাহান মিঞা, আইএসটিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম কায়কোবাদ, মালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ও গবেষক ড. গাজী মাহবুবুল আলম, আইএসটিটির অধ্যক্ষ প্রফেসর গাজী এম এ সালাম প্রমুখ বক্তৃতা করেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিএ বা এমএ পাস করে বেকারত্বের ঘানি টানার চেয়ে বৃত্তিমূলক শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ নিয়ে কর্মমুখী জীবন কাটানো উত্তম। কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, জাপান, চীনসহ ইউরোপীয় দেশসমূহে কারিগরি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৭০%এর ওপরে। পরিকল্পিত মানবসম্পদ দ্রুত দেশকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যেতে পারে।
মন্ত্রী আইএসটিটির মেধাবী অথচ অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫০০ ল্যাপটপ বিতরণ করেন।
