মিল্ক ভিটার ৭ কর্মকর্তাকে অব্যাহতি দিয়েছে দুদক

আপডেট : ১৭ মে ২০১৫, ১৯:৫১
বাংলাদেশ দুগ্ধ উত্পাদনকারী সমবায় সমিতির (মিল্ক ভিটা) ভাইস চেয়্যারম্যান শফিকুর রহমানসহ সাতজনকে শ্রমিক তালিকাভুক্তির নামে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সমপ্রতি কমিশন এ অভিযোগ নথিভুক্তির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করেছে।
 
দুদক সূত্র জানায়, ২০০০ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত যারা মিল্ক ভিটায় অস্থায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করেছেন, মন্ত্রণালয় এবং সমবায় অধিদফতর থেকে তাদের নাম তালিকাভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
 
সে লক্ষ্যে ২০১৩ সালের আগস্ট মাসে মিল্ক ভিটার ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুর রহমানকে প্রধান করে সাত সদস্যের নিয়োগ কমিটি করা হয়। নিয়োগ কমিটির সুপারিশ অনুসারে ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্রমিকদের তালিকাভুক্ত করার চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে কথা ছিল। কিন্তু নিয়োগ কমিটি তা না করে নিজেরাই ৫০০ শ্রমিকের নাম চূড়ান্ত করে।
 
সূত্র আরো জানায়, মিল্ক ভিটায় ৫০০ অস্থায়ী শ্রমিকের নাম তালিকাভুক্ত করার জন্য শ্রমিকদের কাছ থেকে জনপ্রতি এক থেকে তিন লাখ টাকা চাওয়া হয় এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে অর্থ লেনদেনেরও হওয়ার অভিযোগ ছিল। ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ এনে ২০১৪ সালের ১৮ এপ্রিল মিল্ক ভিটার শ্রমিকরা সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় এবং মিরপুর দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় বিক্ষোভ করেন।
 
একই বছর জুনে এসব অভিযোগের অনুসন্ধানে দুদক। দীর্ঘ প্রায় এক বছর অনুসন্ধান শেষে অভিযোগের কোনো সত্যতা না পাওয়ায় কমিশন এ অভিযোগ নথিভুক্তির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করেছে। দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম এ অভিযোগ অনুসন্ধান করেছেন।