দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে এখন ইংল্যান্ডে অবস্থান করছে ওয়ানডে বিশ্বকাপের রানার্সআপ নিউজিল্যান্ড। লক্ষ্য এবার ‘বন্ধ্যাত্ব’ ঘোচানো। ১৭ বছর হলো ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জিততে পারছে না ব্ল্যাক ক্যাপসরা। তাই সেই ‘বন্ধ্যাত্ব’ ঘোচানোর মিশনে কিউইরা। সফরকারীদের কণ্ঠেও সেই সুর। ১১তম বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ স্কোরার ও দলের ওপেনার মার্টিন গাপটিল তেমনটাই বললেন, ‘আমরা এখানে জিততে এসেছি, প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতা করতে নয়। আমাদের লক্ষ্য সিরিজ জয়।’
১৯৩০ সাল থেকে টেস্ট সিরিজ খেলছে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড। ইতোমধ্যে ৩৪টি সিরিজ খেলেছে তারা। এর মধ্যে ইংল্যান্ড ২৩টি ও নিউজিল্যান্ড তিনটি সিরিজ জিতেছে। আর ড্র হয় আটটি। তবে সিরিজ জয়ের ক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ডের স্বাদটা অনেক পুরনো। ১৭ বছর হয়ে গেলো ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জিততে পারছে না ব্ল্যাক ক্যাপসরা। সর্বশেষ ১৯৯৯ সালে ইংলিশদের বিপক্ষে চার ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে নেয় কিউইরা। সেটি ছিলো ইংল্যান্ডের মাটিতেই। আর নিজেদের দেশে সর্বশেষ সিরিজ জেতার ইতিহাস আরো পূরনো। ১৯৮৪ সালে তিন ম্যাচের সিরিজ ১-০ ব্যবধানে জিতেছিলো নিউজিল্যান্ড।
তবে ১৯৯৯ সালের স্মৃতিটা আবারো ফিরিয়ে আনতে চাইছে নিউজিল্যান্ড। তাই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জিততে না পারার বন্ধ্যাত্বটা এবারই ঘোচাতে চায় তারা। এমনই সুর কিউই ব্যাটসম্যান গাপটিলে মুখে, ‘এখন সময় মাঠে নিজেদের প্রমাণ করা। যা গেলো কয়েক বছর যাবত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আমরা করে দেখাচ্ছি। যদি আমরা সবকিছু ঠিক-ঠাক মতো করতে পারি, তবে ভালো ফল পাবো— যা আমরা চাচ্ছি। আমাদের প্রধান লক্ষ্য সিরিজ জয়। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দীর্ঘদিন যাবত্ সিরিজ জিততে না পারার বন্ধ্যাত্ব ঘোচাতে চাই।’
আগামী ২১ মে থেকে লর্ডসে শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। লিডসে ২৯ মে থেকে শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। বড় ফরম্যাটের লড়াই শেষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ও একটি টুয়েন্টি টুয়েন্টি ম্যাচও খেলবে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড।
