পুঁজিবাজারে সোমবার সার্বিক মূল্য সূচকে বড় উল্লম্ফন হয়েছে। একদিনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক বেড়েছে ২ দশমিক ১১ শতাংশ। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচকে বড় উল্লম্ফন দেখা গেছে। সূচকের পাশাপাশি বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ।
আইডিএলসির দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা কমে আসার পাশাপাশি তালিকভুক্ত কোম্পানিগুলোর আয় বাড়ায় বিনিয়োগকারীরা আশাবাদী হয়ে উঠছেন। নতুন তহবিল বিনিয়োগে নিয়ে আসছেন। এতে বাজারে সূচক ও লেনদেন বাড়ছে।
এদিকে সোমবার তিন খাত ঘিরেই ডিএসইর বেশিরভাগ লেনদেন হয়েছে। জ্বালানি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও ওষুধ খাত ঘিরে লেনদেন হয়েছে ৩৯৬ কোটি টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ৮১ শতাংশ।
তথ্যে দেখা গেছে, ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৯১ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৪০৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ৩৫ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬৬৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৭৫৩ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৪৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩০৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪২টির, কমেছে ৫১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬টি কোম্পানির শেয়ারের।
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ২৩৮ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৫৭৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
লেনদেন হয়েছে ১০২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৪৮ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৩৫টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৯টির কমেছে ৪৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৯টি কোম্পানির শেয়ারের।
এদিকে, অর্থ মন্ত্রাণালয় সূত্রে জানা গেছে, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সাথে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) বৈঠক হয়নি।
সোমবার দুপুরে অর্থমন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, সিডিবিএল ফি কমানোর বিষয়ে বিএসইসির পক্ষ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হতো।
পাশাপাশি পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি, বাজার পরিস্থিতি উন্নয়নে করনীয় এবং বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য প্রস্তাবনা প্রসঙ্গে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল।
এদিকে তালিকাভুক্ত একাধিক কোম্পানির প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতেবদন প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের আয় আগের বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় ১২ শতাংশ বেড়েছে। মার্কেন্টাইল ব্যাংকের আয় কমেছে ৮৫ শতাংশ। সাফকো স্পিনিংয়ের আয় কমেছে ৪৬ শতাংশ। এএফসি এগ্রো বায়োটেকের আয় বেড়েছে ৫৮ শতাংশ।
