গ্যাস ও বিদ্যুতের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে শেষ হওয়া গণশুনানির ভিত্তিতে এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে নতুন দাম কবে ঘোষণা করা হবে তা এখনো ঠিক হয়নি। দাম বৃদ্ধির গণশুনানির পর রায় দিতে ৯০ দিনের যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে সে অনুযায়ী বিদ্যুতের দাম ৭ জুন এবং গ্যাসের দাম ১৮ জুনের মধ্যে ঘোষণা করার কথা। এ হিসেবে আগামী মাসেই গ্যাস ও বিদ্যুতের নতুন দাম ঘোষণা করা হবে। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তের উপর।
বিইআরসি সূত্র জানায়, এর আগে ৩০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুত্ ব্যবহারকারীদের দাম বাড়ানো না হলেও এবার শহরের কম বিদ্যুত্ ব্যবহারকারীদের জন্য বাড়ানো হবে। দীর্ঘদিন শহর ও গ্রামের মধ্যে যে দামের পার্থক্য ছিল তা সমন্বয় করার জন্য এই দাম বাড়ানো হবে। তবে কৃষি খাতে ও সামাজিক অর্থাত্ মসজিদ, মন্দিরের জন্য দাম নাও বাড়ানো হতে পারে। এছাড়া বেশি বিদ্যুত্ ব্যবহারকারীদের কয়েকটি ধাপে দাম বাড়ানো হবে।
বিদ্যুতের পাশাপাশি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে আগের তুলনায় খুব বেশি বাড়ছে না। বিইআরসি সূত্র জানিয়েছে, আবাসিক দুই চুলা ৬০০ টাকা এবং একচুলা ৫৫০ টাকা করা হতে পারে। এছাড়া ক্যাপটিভ বিদ্যুতে ব্যবহার করা গ্যাসের দামও বাড়ানো হবে। দাম বাড়ানো হতে পারে সিএনজিরও। তবে সিএনজি’র দাম বাড়ানোর সাথে সাথে সিএনজি স্টেশন মালিকদের কমিশনও বাড়ানো হতে পারে।
সূত্র জানিয়েছে, বিইআরসি কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি অর্থনৈতিক বিচারে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করেছে। নতুন দাম নির্ধারণের বিষয়ে বিইআরসি সদস্য ড. সেলিম মাহমুদ জানান, সবদিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। নির্ধারিত ৯০ দিনের মধ্যে নতুন দাম ঘোষণা করার নিয়ম থাকলেও বিইআরসি প্রয়োজনে সময় বাড়িয়ে নিয়ে রায় ঘোষণা করতে পারে বলে তিনি জানান।
