আগামী মাসের বাংলাদশ সফরে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) পূর্ণ শক্তির দল ঘোষণায় খুশি বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তা বাংলাদেশের পারফরম্যান্স আরো ভাল করতে উৎসাহিত করবে বলেই মনে করছেন দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার।
বাংলাদেশ সফরের জন্য বিসিসিআই গত বুধবার বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন টেস্ট ও মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বাধীন ওয়ানডে দল ঘোষণা করেছে।
মাশরাফি বলেন, ভারত পূর্ণ শক্তির দলই বাংলাদেশে পাঠাবে বলে আশা করছিলেন তিনি।
তিনি এনডিটিভি’কে বলেন, আমাদের দলের সবাই তাদের (ভারতের) সেরা দলটিকেই প্রত্যাশা করছিল। ভারতের যে কোন দলই আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ সন্দেহ নেই। এখন যেহেতু এটা তাদের পূর্ণ শক্তির দল তাই চ্যালেঞ্জটা আরো অনেক বেশি হবে।
ভারতীয় নির্বাচকরা মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশকে পরাজিত করা বিশ্বকাপ দলটিই ওয়ানডের জন্য বাংলাদেশে পাঠাচ্ছেন।
মাশরাফি বলেন, ওয়ানডে দলটি পুরোপুরি বিশ্বকাপ দল হিসেবেই পরিচিত। কেবলমাত্র ইনজুরির কারণে এবার দলে নেই মোহাম্মদ সামি। তাদের ব্যাটিং লাইনআপ নি:সন্দেহে বিশ্বের এক নম্বর। আমাদের বোলারদের জন্য এটা বড় একটা চ্যালেঞ্জ হবে।
পেসার সামির পরিবর্তে ভারতীয় দলে জায়গা পেয়েছেন ডান হাতি ফাস্ট বোলার ধাওয়ান কুলকার্নি।
গত বছর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলার জন্য ভারতীয় দল সর্বশেষ বাংলাদেশ সফর করেছিল। সে সফরে ধোনি ও কোহলিকে বিশ্রামে রেখে সুরেশ রায়নার নেতৃত্বে দল পাঠিয়েছিল পাশবর্তী দেশটি।
তবে পূর্ণ শক্তির প্রতিপক্ষ না হলে সেটা বাংলাদেশের জন্য আরো বেশি চাপ নিয়ে আসতো বলে জানালেন মাশরাফি। ওয়ানডেতে আবদুর রাজ্জাকের পর দেশের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি এই বোলার বলেন, পূর্ণ শক্তির দল না আসলে সব সময়ই একটা চাপ থাকে। এবার অন্তত কোন প্রশ্ন উঠবে না। আমাদেরকে ভাল খেলার জন্য মোটিভেটেড (অনুপ্রাণিত) থাকতে হবে। তারা বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে খেলেছে-এটা তাদের সেরা দল। কাজটা আমাদের জন্য খুব কঠিন হবে।
একমাত্র টেস্ট ও তিন ওয়ানডে ম্যাচের সিরিজ খেলতে ৭ জুন ঢাকা আসবে ভারতীয় দল। ফতুল্লা খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে ১০ জুন শুরু হবে টেস্ট ম্যাচটি। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে ১৮, ২১ ও ২৪ জুন অনুষ্ঠিত হবে তিন ওয়ানডে।
বাসস/এনডিটিভি
