অসহনীয় গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

আপডেট : ২২ মে ২০১৫, ২০:০১
 
রাজধানীসহ সারাদেশে প্রচণ্ড গরম । গরমের তীব্রতা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে বাতাসের আর্দ্রতা। সারাদেশে বয়ে যাচ্ছে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ। শুক্রবার রাজধানীর তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অসহনীয় গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন।
 
আবহাওয়া অধিদফতর থেকে বলা হয়েছে, সাধারণত বছরের এ সময়টিতে তাপমাত্রা বেশি থাকে। চলতি মাসের শেষের দিকে গরম আরো বাড়বে। তবে গরমের মাত্রা অন্যান্য বছরের চেয়ে কম হবে। 
 
তাপপ্রবাহের সঙ্গে যোগ হয়েছে বৃষ্টিশূন্যতা। আর তাই বেশ উত্তপ্ত সারা দেশ। তবে গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকাসহ দেশের কোথাও কোথাও বৃষ্টি হয়েছে। তবে এতে গরমের মাত্রাটা খানিকটা তাৎক্ষণিক কমলেও তা স্থায়ী হয়নি।  সবচেয়ে গরম বেশি অনুভূত হয়েছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলজুড়ে।
 
আবহাওয়া অধিদফতরের ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, শুক্রবার দেশের প্রায় সব এলাকায় তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে ছিল। বৃষ্টিও বেশ কম হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে সৈয়দপুরে, ২৫ মিলিমিটার। রাজধানী ঢাকায় ১১, রংপুরে ২০ ও ময়মনসিংহে ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
 
জানা যায়, তাপমাত্রা ৩৬-৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মৃদ তাপপ্রবাহ, ৩৮ থেকে-৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মাঝারি তাপপ্রবাহ এবং ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমপাত্রা হলে তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। 
 শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রাজশাহীতে ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ তীব্র তাপপ্রবাহের কাছাকাছি।
 
খুলনায় ছিল ৩৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাত্ মাঝারি তাপপ্রবাহ। বরিশালে ছিল ৩৬ দশমিক ৭ এবং চট্টগ্রামে ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ মৃদু তাপপ্রবাহ।
 
তবে আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, মৌসুমি বায়ু প্রতিবেশি দেশ মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন শহর পর্যন্ত চলে এসেছে। অবশ্য জ্যেষ্ঠের এই দহন খুব একটা স্থায়ী হবে বলে মনে করছেন না আবহাওয়াবিদরা। তাঁদের মতে, খানিকটা ঝড়-বৃষ্টি, সঙ্গে মৌসুমি বায়ু যোগ হলে গরমের দাপট কমে যাবে।
 
আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক শাহ আলম জানান, ১০ জুনের মধ্যে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের আকাশে চলে আসতে পারে। তাই বৃষ্টি হলে এবার গরমের মাত্রা অন্যান্য বছরের মতো বাড়বে না।