রবিবার কারিগরি ত্রুটির কারণে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেনে ফের বিঘ্নতা ঘটেছে। এতে দিনের নির্ধারিত সময়ে লেনদেন শুরু করা সম্ভব হয়নি। তিন ঘণ্টা ৫০ মিনিট লেনদেন বন্ধ থাকার পর লেনদেন চালু করা হয়। দুপুর ২টা ২০ মিনিটে লেনদেন শুরু হয়ে তা অব্যাহত ছিল বিকাল ৪টা পর্যন্ত।
জানা গেছে, ডিএসইর লেনদেনে কারিগরি ত্রুটির বিষয়ে জানতে চেয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন জমা দিতে বিএসইসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। কারণ এ ধরনের ত্রুটির কারণে বিনিয়োগকারীরা বারবার সমস্যায় পড়ছেন।
ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ১০টায় লেনদেন প্রক্রিয়া শুরু করতে গিয়ে ব্যাক অফিস ফাইল আপলোডের ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছিল। ফলে লেনদেন করা সম্ভব হয়নি। অল্প সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান হওয়ার আশায় অনেকেই হাউসে বসে ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা লেনদেন করতে না পেরে হতাশ হয়েছেন। যদিও আড়াইটার দিকে লেনদেন শুরু হয়েছে। কিন্তু ততক্ষণে অনেক বিনিয়োগকারীই চলে গেছেন।
এদিকে বিনিয়োগকারীরা বলছেন, মাঝে মাঝেই ডিএসইতে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়ায় লেনদেনে সমস্যায় পড়তে হয়। বারবার ডিএসইতেই এ সমস্যা হচ্ছে। ফলে ডিএসইর বিনিয়োগকারীদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তাই এসব কারিগরি সমস্যার স্থায়ী সমাধান চান বিনিয়োগকারীরা।
এদিকে অল্প সময় লেনদেন হওয়ায় ডিএসইর লেনদেন কমে গেছে। তথ্যে দেখা গেছে, ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ১ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৪৮৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬৮২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৪৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৪৩৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা কম।
লেনদেনকৃত ৩০০টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৮টির, কমেছে ১৬৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ২ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৮২৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৮১ কোটি ৩২ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৭ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৩৫টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৮০টির কমেছে ১২৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৭টি কোম্পানির শেয়ারের।