একজন মিতু কর্মকার

আপডেট : ২৫ মে ২০১৫, ১৩:৫৪


সময়ের প্রতিভাবান কণ্ঠশিল্পীদের একজন মিতু কর্মকার। অক্ষরে হাতেখড়ি হওয়ার আগেই মায়ের কাছে গানে হাতেখড়ি। এখন গানই তার সব। জানাচ্ছেন মোবাশ্বেরা জাহান ফাতিমা

মিতু কর্মকার মা ছাড়াও মামা, দিদিমা ও শ্যামল সরকারের কাছে গান শিখেছেন। শাস্ত্রীয় সংগীতের তালিম নিচ্ছেন পণ্ডিত সঞ্জীব দে-র কাছে। ‘উনিই আমাকে বুঝিয়েছেন, গান কী? উনি শুধু আমার গুরু নন— গুরুজি, আমার জীবনের পথ প্রদর্শক। আমার গুরুবাবা-গুরুজিকে নিয়ে বললেন শিষ্য।

মিতুর মতে, গান গুরুমুখী বিদ্যা। শিখতে শিখতে আর গাইতে গাইতেই পাড়ি দিয়েছেন অনেকটা পথ। নিয়মিত গাইছেন বাংলাদেশ বেতারে। নজরুলগীতির তালিকাভুক্ত শিল্পী তিনি। বাংলাদেশ টেলিভিশনেও তালিকাভুক্ত হয়েছেন। বিটিভিতে আধুনিক গানই করেছেন বেশি। সৈয়দ আবদুল হাদীর উপস্থাপনায় বাংলাভিশনের ‘গানে গানে দেশে দেশে’ অনুষ্ঠানে গান করে আলোচিত হন। এছাড়া মাছরাঙা টেলিভিশনের ‘আনপ্লাগড প্রোগ্রাম’, এসএ টিভির ‘সন্ধ্যার মেঘমালা’, ‘সকালের ডায়েরি: হাওয়া লাগুক গানের পালে’, একাত্তর চ্যানেলের ‘একাত্তরের সকাল’ প্রোগ্রামে গান করেছেন। তবে তার অনেকদিনের স্বপ্ন ছিল অ্যালবাম বের করবেন। সেই স্বপ্নটা পূরণ হলো এবারের ভালোবাসা দিবসে। প্রকাশিত হয় তার প্রথম মিক্সড অ্যালবাম ‘খুঁজি তোমায়’। সপ্তসুর ব্যানারে তমাল হাসানের সংগীতায়োজনে অ্যালবামটিতে তার দুটি গান আছে। ‘বৃষ্টি তুমি থেমো না’ ও ‘খুঁজি তোমায়’ গান দুটির মধ্যে প্রথমটি বেশ শ্রোতাপ্রিয় হয়েছে। সামনে কী অ্যালবামের কাজ করছেন? ‘একক অ্যালবামের কাজ শুরু করেছি। মাত্র একটা গানের কাজ শেষ হয়েছে। সময় নিয়ে কাজটা করতে চাই’-বললেন মিতু। গান নিয়ে তার ভাবনাটা একটু ভিন্ন রকম। যেমনটি জানালেন, ‘গানটাকে জেনে-বুঝে, শিখে গাইতে চাই। পাশ্চাত্য মিউজিকে আমার আগ্রহ। পাশ্চাত্য ও শাস্ত্রীয় সংগীতটাকে মিক্স্ড করে নতুন কিছু করতে চাই।’

‘গান নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কী?’ গুরুজি বলেন, বেশির ভাগ মানুষের পরিকল্পনার ‘পরি’ উড়ে যায় আর ‘কল্পনা’ পড়ে থাকে। তবে আমার পরিকল্পনা আমি বাস্তবায়ন করতে চাই। সংগীত দেশ-কাল গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ না, আমি চাই দেশ-কালের গণ্ডি থেকে বের হয়ে বিশ্ব আসরে দেশকে তুলে ধরতে-বললেন মিতু।