ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যোনে আগামী ২৯ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে লাখো জনতার মিলন ঘটাবে আওয়ামী লীগ। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত দুটি যৌথসভা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম আরো বলেন, উন্নয়ন ও শান্তির চলমান ধারা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। দেশকে এগিয়ে নিতে তার নেতৃত্ব অপরিহার্য।
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, শেখ হাসিনা কোনো রক্তপাত ছাড়া পার্বত্য শান্তি চুক্তি, ইন্দিরা-মুজিব (স্থলসীমা) চুক্তি বাস্তবায়ন করেছেন। মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা সমস্যার সমাধানও করেছেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে এই বাংলাদেশে এসেছিলেন। বুকভরা কষ্ট নিয়ে শত বাধাবিপত্তির মাঝেও দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করেছেন, জঙ্গিবাদ দমন করেছেন। দেশকে তিনি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আমরা গণসংবর্ধনা দিয়ে অন্তত কিছুটা হলেও ঋণ শোধ করবো। তিনি বলেন, গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে জাতীয় নাগরিক কমিটি। আওয়ামী লীগ তাদের সহায়তা করতে এই যৌথসভার আয়োজন করেছে। ওই গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ঢাকা ও আশপাশের এলাকা থেকে লাখো জনতার ঢল নামাবে আওয়ামী লীগ।
গতকাল দুই দফা যৌথসভা করেছে আওয়ামী লীগ। প্রথমে ঢাকার আশপাশের জেলা সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্যদের সঙ্গে পরে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা, দলের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর নেতা এবং সংসদ সদস্যদের সঙ্গে যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। যৌথসভা দুটিতে সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ নাসিম। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, জাহাঙ্গির কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম প্রমুখ।
এর আগে বিকাল ৪টার দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করে সার্বিক বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
