সুরমা সেতুর নির্মাণ শেষ পর্যায়ে

আপডেট : ২৬ মে ২০১৫, ০২:৫১
সুরমা নদীতে সেতু হবে সুনামগঞ্জের মানুষের দীর্ঘদিনের এ স্বপ্ন বাস্তব হয়ে ধরা দেয়ার পথে। নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার ১০ বছর পর এবার সেতুটির দৃশ্যমান অগ্রগতিতে উচ্ছ্বসিত জেলার মানুষ। সবকিছু ঠিকঠাক এগুলে আগামী জুলাই মাসে সেতুটি জনসাধারণে জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ জানিয়েছে।
 
সেতুটি চালু হলে জেলা সদরের সঙ্গে সদর ও জামালগঞ্জ উপজেলার একাংশ, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর ও ধর্মাপাশা উপজেলার সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। সহজে ও কম সময়ে হাওরে কৃষকের অক্লান্ত শ্রমে উত্পাদিত ধান ও মাছ এবং উত্তর সুরমায় ফলানো বিপুল পরিমাণ তরি-তরকারি দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে। উত্পাদিত কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবেন কৃষক।
 
 
এছাড়া সীমান্তের বড়ছড়া, চারাগাঁও ও বাগলী শুল্ক স্টেশন দিয়ে আমদানি করা কয়লা ও চুনাপাথর পরিবহনের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। বিশ্ব ঐতিহ্য ও জীববৈচিত্র্যের লীলাভূমি টাঙ্গুয়ার হাওর ও সীমান্তের নৈসর্গিক সৌন্দর্যকে ঘিরে বিকশিত হবে পর্যটন শিল্প।
 

সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানায়, ২০০৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর সাবেক অর্থমন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমান সুরমা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সেতুর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জেওএন-জেভির অন্যতম স্বত্বাধিকারী একেএম আশরাফউদ্দিন জানান, যৌথ ভিত্তিতে আমরা সেতুর কাজ করছি। তিনি বলেন, আগামী জুন মাসে শেষ করার কথা থাকলেও আমরা তারও আগে শেষ করতে পারবো বলে আশা রাখি।