জেলার পবা উপজেলার বাগসারা এলাকায় নকল সিগারেট কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্বে র্যাবের একটি দল অভিযান চালিয়ে ওই কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণ নকল সিগারেট, বিভিন্ন নামি-দামি ব্র্যান্ডের সিগারেটের লেভেল ও তৈরির সরঞ্জামাদি জব্দ করেছে। এ সময় সিগারেট তৈরির সঙ্গে জড়িত ছয় কর্মচারীকে আটকের পর জরিমানা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তবে পলাতক রয়েছেন কারকানার অজ্ঞাত মালিক ও ব্যবস্থাপক।
এ বিষয়ে কারখানা মালিককে অজ্ঞাত উল্লেখ করে এবং ব্যবস্থাপক বোরহান উদ্দিনকে পলাতক দেখিয়ে মামলা হয়েছে।
আটক কর্মচারীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ওই কারখানায় গোল্ডলিফ, চার্ম স্পেশালসহ দেশি-বিদেশি নামি-দামি ব্র্যান্ডের সিগারেট তৈরি হতো।
র্যাব জানায়, ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক নিলুফার ইয়াসমিন ও আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে র্যাবের একটি দল অভিযান চালায়। ওই কারখানা থেকে ৭২ বস্তা তামাক, ২৮ বস্তা সিগারেটের সলতা ( প্রায় ৩৬ লাখ পিস), পাঁচ লাখ পিস গোল্ডলিফ ও শফিক গোল্ডের লেভেল, চার লাখ পিস চার্ম স্পেশাল সিগারেটের লেভেল, সিগারেট তৈরির যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন মালামাল জব্দ করা হয়।
ওই কোম্পানিতে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত আরো ছয় কর্মচারীকে আটক করা হয়। তবে এর আগেই টের পেয়ে ওই করখানার অজ্ঞাত মালিক ও ব্যবস্থাপক পালিয়ে যায়।
শ্রমিকরা ভ্রাম্যমাণ আদালতকে জানায়, ওই কারখানায় দীর্ঘদিনই ধরেই দেশি-বিদেশি বিভিন্ন নামি-দামি কোম্পানির সিগারেট তৈরি হতো। সিগারেটগুলো রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হতো।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক নিলুফার ইয়াসিমন জানান, সবমিলিয়ে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা মূল্যের মালামাল জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে আটক সিগারেটের সলতাসহ সিগারেট তৈরির মালামালগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে যন্ত্রপাতিগুলো জব্দ করে কারখানাটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।
