সুন্দরবন হোটেল ঝুঁকিমুক্ত রাখতে বালু ফেলা হচ্ছে। নির্মাণাধীন এনবিএল টাওয়ার ধসের ঘটনায় প্রচুর পরিমাণে বালু ফেলা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে বিশেষজ্ঞরা। সে মোতাবেক ধসে যাওয়া স্থানে শত শত বালুর বস্তা বালু ফেলা হচ্ছে। আর এই বালু ফেলার কাজ তদারকি করছেন স্বয়ং ঢাকা উত্তরের মেয়র আনিসুল হক। তিনি বুধবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে ছিলেন। ধসে যাওয়ার ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি ও একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।
হোটেল সোনারগাঁও’র পশ্চিমপাশের সড়কের বিপরীতে বীর উত্তম সি আর দত্ত রোডের পাশে সুন্দরবন হোটেল সংলগ্ন ন্যাশনাল ব্যাংক লি. এর বহুতল ভবন (এনবিএল টাওয়ার) পাইলিং বুধবার সকাল সোয়া সাতটার দিকে বিকট শব্দে ধসে পড়ে। এতে সুন্দরবন হোটেল সংলগ্ন গলির রাস্তাসহ বেশ কিছু অংশ দেবে যায়।
ধসের ঘটনায় কলাবাগান থানায় একটি জিডি করেছেন সুন্দরবন হোটেলের জেনারেল ম্যানেজার মো. ওয়াজেদ আলী। এই ঘটনায় কর্তৃপক্ষের কয়েক কোটি টাকার সুনাম ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি জিডিতে দাবি করেন।
জিএম ওয়াজেদ আলী থানায় জিডি করার কথা স্বীকার করে বলেন, সুন্দরবন হোটেলটি ১৯৮৪ সালে নির্মিত হয়। ১১৪টি কক্ষ বিশিষ্ট এই হোটেলে ঘটনার দিন ২২ জন উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনও ছিলেন। পরে তাদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়।
এদিকে দুর্ঘটনাস্থলের ঝুঁকি মোকাবেলায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হককে প্রধান করে একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), দুই সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), আর্মি ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের সদস্য, পুলিশ, র্যাব, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড এবং সংশ্লিষ্ট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি রাখা হয়েছে।
তাত্ক্ষণিক এক সভায় বসেন উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক। সভা শেষে আনিসুল হক ইত্তেফাককে বলেন, আমাদের প্রথম কাজ ধসে পড়া স্থানটিকে ঝুঁকিমুক্ত করা।
