আইসেনহাওয়ার ফেলোশিপ সম্পন্ন করলেন বিওয়াইএলসি প্রেসিডেন্ট

আপডেট : ২৮ মে ২০১৫, ১৮:১২
বিওয়াইএলসি (বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশীপ সেন্টার) প্রেসিডেন্ট ইজাজ আহমেদ সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সাত সপ্তাহব্যাপী নেতৃত্ব বিষয়ক প্রোগ্রাম সম্পন্ন করে দেশে ফিরেছেন। এ প্রোগ্রামে তিনি বাংলাদেশে কিভাবে আরও বৃহৎ পরিসরে নেতৃত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বিস্তার করা যেতে পারে সে সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশে বিওয়াইএলসি এর কার্যক্রম সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করেন। সমগ্র বিশ্ব থেকে নির্বাচিত মোট ২৩ জন বৈশ্বিক নেতার মধ্য থেকে অন্যতম একজন হিসেবে ইজাজ আহমেদ ২০১৫ সালের আইসেনহাওয়ার ফেলো হিসেবে নির্বাচিত হন। সরকারি, বেসরকারি এবং অলাভজনক সেক্টরে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তারা এই সম্মানসূচক প্রোগ্রামে আমন্ত্রিত হয়েছেন।
 
নেতৃত্ব বিষয়ক কার্যক্রম পরিচালনাকারী বৈশ্বিক নেতাদের উৎসাহ প্রদান করার জন্য, বৈশ্বিক উন্নতি সাধনের ক্ষেত্রে বর্তমান পরিসরের বাইরে গিয়ে তাদের চিন্তাধারা, অন্যদের উৎসাহিত করা, স্ব স্ব কর্মক্ষেত্রে নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখা এবং কমিউনিটি সার্ভিসিং এ তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের আইসেনহাওয়ার ফেলোশিপ প্রদান করা হয়ে থাকে।
 
২৩ জন বহুজাতিক ফেলোদের সারাবিশ্ব থেকে একটি অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক আবেদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচিত করা হয়।
অন্যান্য ২০১৫ ফেলোদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ফেলিক্স হো, সিইও অফ ওয়াইএফওয়াই ইনক, তাইওয়ান, একটি ৬ বিলিওন ডলার টার্নওভার কংগলমেরেট, সউরিয়া দোভাল, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর অফ ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন এবং মোদী সরকারের একজন অন্যতম অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রনেতা, নাথান  সিভাগানানাথান , চীফ গ্রোথ অফিসার অফ এমএএস হোল্ডিংস, শ্রীলঙ্কা, একটি ১.৫ বিলিওন ডলার টার্নওভার কংগলমেরেট, এইচআরএইচ প্রিন্স কন্সতান্তিন ভন অরানহে-নাসাউ অফ নেদারল্যান্ডস এবং আদিত্য বর্ধনে, সিইও অফ ব্লুমবারগ মিডিয়া গ্রুপ ইন্দোনেশিয়া।
    
ফেলোশিপ চলাকালীন সময়ে ইজাজ সাক্ষাৎ করেন বিভিন্ন ফরচুন ফাইভ হানড্রেড কোম্পানি এর সিইও, হার্ভার্ড, এমআইটি এবং স্ট্যানফোর্ড এ কর্মরত শিক্ষক এবং সিলিকন ভ্যালির কিছু প্রযুক্তি শিল্প কোম্পানির  কর্মকর্তাদের সাথে। সাক্ষাতের সময় প্রযুক্তির ব্যবহার বিওআইএলসি এর যুব নেতৃত্ব মূলক কর্মকাণ্ড  এবং  সর্বোত্তম প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনা পদ্ধতি কিভাবে আরও সমৃদ্ধ  করতে পারে সেই ব্যাপারে অর্থবহ আলোচনা করেন তিনি।
 
বিওয়াইএলসির প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রেসিডেন্ট, ইজাজ আহমেদ বলেন, ‘বিগত ৬ বছরে বিওয়াইএলসি সাফল্যের সাথে ২২০০ এর ও অধিক স্কুল , কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে যুব নেতৃত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিয়েছেন।’ 
 
তিনি আরো বলেন, ‘আমি এমন একটি দেশের নাগরিক যেখানে ১৬ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে ৫২% এর বয়স ২৫ এর নীচে। সে কারণে এই ফেলোশিপ থেকে ব্যক্তিগত ভাবে আমার একটি মূল অর্জন হল কিভাবে আরো বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ বিস্তার করা যায়।’
 
অনুষ্ঠানের সমাপনি নৈশ ভোজে সকল ২০১৫ বহু জাতি ফেলোদের পক্ষ থেকে বক্তব্য প্রদানের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন ইজাজ আহমেদ । 
 
অনুষ্ঠানের অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডেভিড মিলিব্যানড, ইন্টারন্যাশনাল রেস্কিউ কমিটি এবং  যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র এবং কমনওয়েলথ বিষয়ক সাবেক সচিব, জর্জ ডি লামা, আইসেনহাওয়ার ফেলশিপস এর প্রেসিডেন্ট, এবং জেনারেল কলিন পাওয়েল (অব.), আইসেনহাওয়ার ফেলোশিপস এর ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান।