বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, ‘বর্তমানে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলেও যেকোনো কারণেই হোক বিনিয়োগের গতি মন্থর। কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ হচ্ছে না। এ কারণে, বর্তমানে ব্যাংকগুলোর কাছে পর্যাপ্ত বিনিয়োগযোগ্য তহবিল রয়েছে। সাধারণত বিনিয়োগের পরিবেশ মসৃণ ও সুষ্ঠু থাকলে বছরের মাঝামাঝি সময়ে ব্যাংকের কাছে পর্যাপ্ত বিনিয়োগযোগ্য তহবিল থাকত না।’
বৃহস্পতিবার রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে গভর্নর এ সব কথা বলেন। এ সময় শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান এ কে আজাদ, ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরমান আর চৌধুরী, ব্যাংকের ব্যাংকের পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সিএসআর ও বিনিয়োগে নানা প্রণোদনার কথা উল্লেখ করে গভর্নর আরো বলেন, ‘সিএসআর কর্মকাণ্ডে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে উত্সাহিত করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ২০০৮ সালে প্রথম সিএসআর নীতিমালা, পরবর্তীতে ব্যাংকগুলোকে সিএসআর ডেস্ক স্থাপন, জেন্ডার ইক্যুয়ালিটি বিষয়ক পারফরমেন্স সূচক প্রেরণ, সিএসআর ব্যয়ের ন্যূনতম ৩০ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করার নির্দেশনা জারি করে। ছয় বছরের ব্যবধানে ব্যাংকিং খাতে সিএসআর ব্যয় প্রায় ১০ গুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০০ কোটি টাকার মতো। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজেও একটি সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক তহবিল গঠন করে সিএসআর কর্মকাণ্ড পরিচালন করছে। এ তহবিল থেকে এরই মধ্যে ফায়ার সার্ভিস, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে অনুদান দেয়া হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে বলা হয়—শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ২০০৬ সাল থেকে নিয়মিতভাবে দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীকে এককালীন ও স্বল্প মেয়াদে বৃত্তি প্রদান করে চলেছে। এ বছর ব্যাংকটি ৫০০ দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করছে।
