প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আজ শুক্রবার বিকাল ৩টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নাগরিক সংবর্ধনা দেয়া হবে। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অর্জনের জন্য জাতীয় নাগরিক কমিটি এই সংবর্ধনার আয়োজন করেছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তৈরি করা হয়েছে একটি বিশাল মঞ্চ। আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য, ১৪ দলের মুখপাত্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম গতকাল বৃহস্পতিবার অপরাহ্নে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে। একের পর এক সাফল্য অর্জিত হচ্ছে। এর মধ্যে সর্বশেষ অর্জন ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি বাস্তবায়ন। শেখ হাসিনার কূটনৈতিক দূরদর্শিতার কারণে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। মোহাম্মদ নাসিম জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সৈয়দ শামসুল হককে আহ্বায়ক করে ২০১ সদস্যের জাতীয় নাগরিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২ ঘন্টার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিভিন্ন অর্জন নিয়ে একটি সঙ্গীত পরিবেশন করা হবে। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গতকাল বিকালে সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, উদ্যানের ভূগর্ভস্থ জাদুঘরের পাশের পানির ফোয়ারার ঠিক দক্ষিণ পাশেই উত্তর দিকে মুখ করে তৈরি করা হয়েছে মঞ্চ। মূল এ মঞ্চের দৈর্ঘ্য ৪৮ ফুট এবং প্রস্থ ৩০ ফুট। এর সামনেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য তৈরি করা হয়েছে আরেকটি মঞ্চ। যার দৈর্ঘ্য ৪৮ ফুট এবং প্রস্থ ৩৬ ফুট। মূল মঞ্চসহ ৩৫০ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ২১০ ফুট প্রস্থের এলাকাজুড়ে টানানো হচ্ছে সামিয়ানা। এটাই হবে মূল প্যান্ডেল। এর মধ্যে ২০ হাজার চেয়ার বসানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
