এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সেরা ২০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় এবারও শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে বরিশাল ক্যাডেট কলেজ। এ প্রতিষ্ঠানের ৫৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে সকলেই জিপিএ-৫ পেয়েছে।
পাঁচটি মানদণ্ডের উপর ভিত্তি করে ৯১ পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান জানান, পাঁচটি মানদণ্ডের উপর ভিত্তি করে সেরাদের একটি তালিকা করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহনের হার, পাসের হার, জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সংখ্যা, জিপিএ’র গড় এবং প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনা করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় বরিশাল ক্যাডেট কলেজে ৯১ পয়েন্ট পেয়ে সবার শীর্ষে রয়েছে।
বরিশাল সদর গার্লস স্কুল রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। এ বিদ্যালয়ের ২৮৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে সকলেই পাস করেছে। পাসের হার শতভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০৫ জন। প্রাপ্ত পয়েন্ট ৮৫ দশমিক ২৭।
বরিশাল জিলা স্কুল রয়েছে তৃতীয় স্থানে। এ বিদ্যালয়ের ২৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২৬৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭৪ জন। জিলা স্কুলের প্রাপ্ত পয়েন্ট ৮২ দশমিক ৪০।
চতুর্থ স্থানে রয়েছে বরগুনার পাথরঘাটা তাছলিমা মেমোরিয়াল একাডেমী। এ বিদ্যালয়ের ৫৬ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সকলেই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯ জন। ৫ম স্থানে রয়েছে পটুয়াখালী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়ের ২৫৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৫২ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৯ জন।
পয়েন্টের ভিত্তিতে পঞ্চম স্থানের পর পর্যায়ক্রমে যারা বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে মেধা তালিকায় স্থান করে নিয়েছেণ তাদের মধ্যে রয়েছে বরগুনার তালতলী বাগেরহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়ের ৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪২ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫ জন। পটুয়াখালী সরকারী জুবলি উচ্চ বিদ্যলয়ের ২৪১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২৩৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৮ জন। পিরোজপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের ১৩৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৩৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৮ জন।
বরগুনার তালতলী ছোটো বাগি পি কে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৫৮ জন পরীক্ষার্থীর সকলেই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০ জন। বরিশাল সদর উপজেলার বুখাই নগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭জন। পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া কেএম লতিফ ইনস্টিটিউশনের ১৯৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৯৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫০ জন। ভোলা সরকারী বালিখা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৪৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৪২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৭ জন।
ভোলা সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৪৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৩৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৬ জন। পিরোজপুরের নাজিরপুর কালারদোনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৫৫ জন পরীক্ষার্থীর সকলেই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫ জন। মুলাদী কাজীরচর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৯৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৯ জন।
বানারীপাড়া ওয়াজেদ মেমোরিয়াল বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১২০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১১৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৬ জন। বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১১৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১১৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৬ জন। ঝালকাঠী রাজাপুর পাইল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৬৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০ জন। পিরোজপুর সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৬৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৫১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ জন। বরগুনার আমতলী চরখগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৭৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১ জন।
