স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ধূমপানের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে বলেছেন, সন্ত্রাসের চেয়ে ক্ষতিকর মারণাস্ত্র হলো ধূমপান। এটি একটি সমাজকে বিশেষ করে যুব সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। তাই তরুণ সমাজকে ধূমপান থেকে বিরত রাখতে অভিভাবকদের আরো বেশি সচেতন হতে হবে।
রবিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রোগীদের ধূমপান না করার পারমর্শ দিতে ডাক্তারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, সামাজিকভাবে সর্বক্ষেত্রে ধূমপানকে নিরুত্সাহিত করতে হবে। যারা ধূমপান করে তাদের যদি চিকিত্সা না দেয়ার ভয় ডাক্তাররা দেখান তাহলে ধূমপায়ী মানুষের সংখ্যা অনেকাংশে কমে যাবে।
একই সঙ্গে যারা ধূমপান করে তাদের সঙ্গে দেখা না করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আসুন তামাক মুক্ত বিশ্ব গড়ে তুলতে আমরা সবাই এক সাথে কাজ করি। ধুমপানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলি। যাতে করে তরুণ সমাজ ধ্বংসের পথে না যায়।
স্বাস্থ্য সচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. দীন মো. নূরুল হক, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নূর হোসেন তালুকদার, বাংলাদেশ মেডিকেল এ্যাসোসিয়েসনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান, মহাসচিব অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সনাল প্রমুখ।
এবার দিবসের প্রতিপাদ্য হলো ‘তামাকজাত পণ্যের অবৈধ ব্যবসা বন্ধ কর’। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদক বিরোধী প্রচারনায় বিশেষ অবদানের জন্য ১টি সরকারি প্রতিষ্ঠান, ১টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ১ টি এনজিও ও একজন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
