ম্যাগি ইন্সট্যান্ট নুডলসহ অন্যান্য কোম্পানির নুডুলসে কোনো ক্ষতিকর উপাদান পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের খাদ্য মানের নিয়ন্ত্রকারী প্রতিষ্ঠান বিএসটিআই।
মঙ্গলবার (বিএসটিআই) এর ‘সার্টিফিকেশন মার্কস’ বিভাগের পরিচালক কমল প্রসাদ দাস এক নিউজ পোর্টালকে জানিয়েছেন, ম্যাগিসহ পাঁচ কোম্পানির নুডলস আমরা পরীক্ষা করে দেখেছি। কোনোটিতেই ক্ষতিকারক মাত্রায় কোনো উপাদান পাওয়া যায়নি।
এর আগে ভারতের উত্তর প্রদেশে ম্যাগি ইনস্ট্যান্ট নুডুলসে উচ্চ মাত্রায় সীসা পাওয়া যাওয়ার পর বাংলাদেশেও এই নিয়ে আলোচনা ওঠে। পরে বিএসটিআই জানায় তারা পরীক্ষা করে দেখবে।
বহুজাতিক কোম্পানি নেসলের তৈরি ‘ম্যাগি’ ছাড়াও দেশের বাজারে থাকা নিউজিল্যান্ড ডেইরির ‘ডুডুলস’; কল্লোল থাই ফুডের ‘মামা’; ইফাদ মাল্টি প্রোডাক্টের ‘ইফাদ এগি’ ও প্রাণ গ্রুপের প্রতিষ্ঠান নাটোর এগ্রো লিমিটেডের ‘মিস্টার’ নুডুলসও পরীক্ষা করে দেখেছে বিএসটিআই।
এদিকে সোমবার নেসলে ইন্ডিয়া এনডিটিভিকে জানিয়েছে, আমার বাইরের ল্যাবরেটরিতে নুডুলস পরীক্ষা করে দেখেছি।
এর আগে দুই মিনিট নুডুলসে ক্ষতিকর মনোসোডিয়াম গ্লটামেট (এমএসজি) পাওয়া নিয়ে নিশ্চুম ছিল কোম্পানিটি। পরে তারা জানিয়েছেন, পরবর্তী পরীক্ষায় কর্তৃপক্ষকে তারা সম্পূর্ণ সহযোগিতার করবে।
গত মাসে ভারতের উত্তর প্রদেশ থেকে ২০১৪ সালে উত্পাদন করা একটি ব্যাচের ম্যাগি নুডুলস বাজার থেকে তুলে নিতে নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্যের ফুড সেফটি অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএসডি)। ঐ পণ্যে উচ্চমাত্রায় মনোসোডিয়াম গ্লটামেট পাওয়ায় এই নির্দেশ দেয়া হয়।
এরই মধ্যে উত্তরপ্রদেশের বারাবাঙ্কির আদালতে ম্যাগির মান নিয়ে নেসলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এছাড়াও বলিউড অভিনেতা অমিতভা বচ্চন, মাধুরী দীক্ষিত ও প্রীতি জিনতার বিরুদ্ধে আলাদা করে মামলা করা হয়েছে।
