৭২৭ জন যাচ্ছে মংডুতে: মিয়ানমারের তথ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০২ জুন ২০১৫, ১৭:০৭
‘পাচারের শিকার ৭২৭ জন নারী-পুরুষসহ সাগরে ভাসমান নৌকা আটকের পর মিয়ানমারের নৌবাহিনীর পাহারায় বাংলাদেশের জলসীমার দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।’ মিয়ানমার সরকারের পক্ষ থেকে এমন খবর জানানোর পর তা সংশোধন করে জানানো হয়েছে অভিবাসীদের বুধবার নাফ নদী দিয়ে মংডু শহরে নিয়ে যাওয়া হবে। 
 
মিয়ানমারের তথ্যমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র ইয়ে হুতুত মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছে, অভিবাসীদের নাগরিকত্ব সনাক্ত করার জন্য নৌবাহিনীর পাহারায় নৌকাটিকে একটি ‘নিরাপদ স্থানে’ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। 
 
একই ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষা বাহিনী বিজিবির পক্ষ থেকেও। 
 
বিজিবি টেকনাফ ৪২ ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর আবু রাসেল ছিদ্দিকী জানান, ওই নৌকা ও আরোহীদের বিষয়ে মিয়ানমারের পক্ষ থেকে বিজিবিকে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে। মিয়ানমারের নৌবাহিনীর পাহারায় দুইটি জাহাজে করে ওই অভিবাসীদের বুধবার নাফ নদী দিয়ে মংডু শহরে নিয়ে যাওয়া হবে। চিঠিতে বলা হয়েছে, তাদের পুশব্যাক নয়, স্থানান্তর করা হচ্ছে।
 
 
গত শুক্রবার মিয়ানমারের দক্ষিণ উপকূলে ওই নৌকা আটকের পর দেশটির সরকার আরোহীদের ‘বাঙালি’ বলে দাবি করে।
 
কিন্তু মঙ্গলবার সকালে মিয়ানমারের তথ্যমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্দামান সাগর থেকে আটক ওই নৌকার আরোহীরা ‘বাংলাদেশে যেতে চান, মিয়ানমারে নয়’।
 
খবরে মিয়ানমারের তথ্যমন্ত্রীর বরাত দিয়ে আরো জানানো হয়েছিল, নৌকায় ভাসমানদের ইচ্ছায় তাদের সঙ্গে পানি ও খাবার দেয়া হবে। 
 
এর কয়েক ঘণ্টার মাথায় মিয়ানমারের মন্ত্রী তার বক্তব্য ‘সংশোধন’ করেন বলে রয়টার্সের পরের প্রতিবেদনে জানানো হয়।