অর্ধশতাব্দী আগে বন্ধ হয়ে গেছে কলকাতা-বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) রেলযোগাযোগ। এরপর শুধু আগাছাই জন্মেছে কিন্তু চাকা গড়ায়নি সেই পথে। আজ আবার ৫০ বছর পরে এসে সেই আগাছা দূর করতে উন্মুখ হয়ে আছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর হঠাৎই বন্ধ হয়ে যায় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে রেল যোগাযোগ। পরে ২০০৯ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবার বিষয়টি আলোচনায় আসে।
৬ জুন ঢাকায় আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার দুই দিনের ওই সফরে সেই সব শূন্য লাইনগুলিতে রেল চলার স্বপ্ন এবার অন্যতম আলোচ্যসূচি হয়ে উঠতে চলেছে। শুধু সমঝোতাপত্র সই করাই নয়, হাতে কলমে দ্রুত কিভাবে কাজ শুরু করে দেয়া যায় সে ব্যাপারে রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভুকে নির্দেশ দিয়েছেন মোদী।
মোদী-হাসিনা বৈঠকের পর খুব শিগগিরই বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক নয়াদিল্লি সফরে যাবেন। মোদীর সফরে খুলনা-যশোর-বেনাপোল-কলকাতা রুটে দ্বিতীয় মৈত্রী এক্সপ্রেস চালু করার জন্য আলোচনা হবে দুই দেশের মধ্যে। এবার থাকবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। দুই দেশের মধ্যে পুরনো রেল যোগাযোগ ফিরিয়ে আনতে মমতাও সমান আগ্রহী।
স্বাধীনতার আগে উত্তরবঙ্গ থেকে বর্তমান বাংলাদেশ হয়ে কলকাতা পর্যন্ত একটি জনপ্রিয় রেল যোগাযোগ ছিল। সেটিকেও আবার চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। কোচবিহার বা শিলিগুড়ি থেকে বাংলাদেশের উত্তর ভাগের নীলফামারী, ঈশ্বরদী হয়ে কলকাতা পর্যন্ত এই রেলপথে ফের চাকা গড়ানো যায় কি না সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
খবর আনন্দবাজারের।
