‘২০৫১ সালের মধ্যে দেশে প্রবীণ সংখ্যা ৪ কোটি ছাড়াবে’

আপডেট : ০৩ জুন ২০১৫, ১৭:৩৩
 
 
 
 
জাতীয় প্রবীণ নীতিমালা-২০১৩ অনুযায়ী ২০১১ সাল নাগাদ বাংলাদেশের মোট প্রবীণ জনসংখ্যা ছিল ১ কোটি ১৩ লাখ, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭.৪ শতাংশ এবং ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৬ সাল নাগাদ ১০ শতাংশে পৌঁছাবে। ২০৫১ সালের মধ্যে দেশে প্রবীণদের সংখ্যা চার কোটি ছাড়িয়ে যাবে। তাই এ জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষায়িত সেবা-ভিত্তিক কর্মসূচির বিকল্প নেই।
 
পিকেএসএফের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদের সভাপতিত্বে পিকেএসএফ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের প্রবীণ জনগোষ্ঠী: জীবনমান উন্নয়নে প্রতিবন্ধকতা ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে এ তথ্য জানানো হয়। সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন পিকেএসএফের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের।
 
সেমিনারে প্রবীণদের উপযোগী আয়বর্ধনমূলক কর্মকাণ্ডে প্রণোদনা প্রদান, সম্পদ স্থানান্তর, বিশেষায়িত সঞ্চয় ও ঋণ পরিষেবা, প্রবীণদের সামাজিক কেন্দ্র, স্বাস্থ্য পরিষেবা ইত্যাদিসহ প্রবীণদের জীবনমান উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করা হয়।
 
সেমিনারে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং পিকেএসএফের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য অধ্যাপক ড. এ কে এম নূর-উন-নবী। ২০৫১ সালের মধ্যে দেশে প্রবীণদের সংখ্যা চার কোটি ছাড়িয়ে যাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন—এখনই প্রবীণদের নিয়ে একটি কর্মকাঠামো তৈরি করা জরুরি। প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় এনে প্রবীণদের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি গ্রহণের ওপর জোর দেন তিনি।
 
ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন—একজন মানুষের পুরো জীবনটা বিবেচনায় রেখে জীবনের সব পর্যায়ের বহুমাত্রিক প্রয়োজনের ওপর নজর দিয়ে পিকেএসএফ নিজেদের দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচিকে সজ্জিত করছে।
 
সেমিনারে পিকেএসএফের ২০০ সহযোগী প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ নেন।