পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী বলেছেন, ‘দুই দেশের মধ্যে তিস্তা চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে কূটনৈতিক পর্যায়ে। সবকিছু তো প্রকাশ্যে হয় না, অনেককিছু চোখের আড়ালেও হয়। তিস্তা চুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছে। এটা নিয়ে আমরা কাজ করছি।’
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের আগের দিন শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।
মাহমুদ আলী বলেন, ‘তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির বিষয়টিতে আলোচনা চলছে। আর এ জন্য একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা অনেক সমস্যার সমাধান করেছি। আর আমাদের সম্পর্ক একটি ঐতিহাসিব উচ্চতায় পৌঁছেছে। আমরা নিশ্চয়ই এ বিষয়ে আরো আলোচনা করব।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে দুই দেশের আলোচনায় আঞ্চলিক যোগাযোগের বিষয়টিই প্রাধান্য পাবে।’
৪১ বছর ধরে ঝুলে থাকা সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের পথ তৈরি হওয়ায় দুই দেশের ১৬২টি ছিটমহলের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ জীবন বদলের স্বপ্ন দেখছে। সেই স্থল সীমান্ত চুক্তির প্রটোকলে দুই দেশের অনুসমর্থনের দলিল মোদির সফরে বিনিময় হবে।’
মোদির প্রায় ৩৪ ঘণ্টার সফরে আন্তর্যোগাযোগ, সীমান্ত নিরাপত্তা, বাণিজ্য সহযোগিতার মতো অন্তত ২০টি বিষয়ে চুক্তি ও আলোচনা হওয়ার কথা, যার মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক আরো এগিয়ে যাবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ভারতের তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহনের ঢাকা সফরের সময় তিস্তা চুক্তি সই হওয়ার কথা থাকলেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির শেষ মুহূর্তে আপত্তিতে বিষয়টি আটকে যায়।
