স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কোন একক বিষয় নয়: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ০৮ জুন ২০১৫, ১৯:৪৪
 
 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা এখন আর কোন একক বিষয় নয়। সামগ্রিক বিবেচনায় এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে সামাজিক ও স্বাস্থ্য বিজ্ঞান, পুষ্টি, আইন এবং নীতিশাস্ত্রের মত বিষয়। বর্তমান বিশ্বে সমগ্র জনগোষ্ঠীকে স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবার আওতায় আনা যেকোন দেশের জন্যই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। মঙ্গলবার বিশ্ব অ্যাক্রিডিটেশন দিবস উপলক্ষে সোমবার দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।
 
 
জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়নের ফলে মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর এসব এ কাজের ক্ষেত্রকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
 
তিনি বলেন, জনগণের অর্থনৈতিক সামর্থ্য বিবেচনায় রেখে তাদেরকে এ সেবার আওতায় আনা নিঃসন্দেহে কষ্টসাধ্য কাজ। এ প্রেক্ষিতে দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘অ্যাক্রিডিটেশন সাপোর্টিং দ্য ডেলিভারি অব হেলথ এ্যান্ড সোশ্যাল কেয়ার’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে।
 
রূপকল্পে স্বাস্থ্য ও সামাজিক খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্যম আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে ‘রূপকল্প ২০২১’ ও ‘রূপকল্প ২০৪১’ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।
 
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধীরা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের অধিকার রক্ষা ও স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। অটিজম সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি এবং অটিস্টিক শিশুদের পুনর্বাসনেও তাঁর সরকারের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হয়েছে।
 
দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ডসহ উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও সুবিধাভোগীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি আশা করেন, দেশের স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা উন্নয়নে বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড কাজ করবে। এছাড়া এ সকল প্রতিষ্ঠানের সেবার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করতে বোর্ড ভূমিকা রাখবে। খবর বাসস।