ঢাকার দুই সিটিতে প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়

সর্বোচ্চ ব্যয় ৪৯ লাখ সর্বনিম্ন শূন্য টাকা

আপডেট : ০৮ জুন ২০১৫, ১৯:৪৬
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে সর্বোচ্চ ৪৯ লাখ টাকা এবং সর্বনিম্ন শূন্য টাকা ব্যয় দেখিয়েছেন প্রার্থীরা। উত্তর সিটিতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আনিসুল হক সর্বোচ্চ ৪৯ লাখ টাকা ব্যয় করেছেন। আর দক্ষিণে ল্যাপটপ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জাহিদুর রহমানের মেয়র পদে ভোটে লড়তে একটি পয়সাও খরচ করেননি। তিনি নির্বাচনী ব্যয় দেখিয়েছেন ‘শূন্য টাকা’। তবে এবারের দুই সিটিতে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের সবচেয়ে বেশি নির্বাচনী ব্যয় হয়েছে। 
 
এদিকে, গত ২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রার্থীদের ব্যয়ের হিসাব ইসির নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশের বিধান থাকলেও সোমবার পর্যন্ত তা প্রকাশ করা হয়নি। 
 
স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) নির্বাচন বিধিমালার ৫২ উপ-বিধিতে বলা হয়েছে, প্রার্থীর দাখিলকৃত হলফনামা, সম্ভাব্য উৎসের বিবরণী, নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন কমিশনের ওয়েবসাইটে জনগনের অবগতির জন্য প্রদর্শিত হবে।’ ৫১ উপ-বিধি অনুযায়ী নির্বাচিত প্রার্থীর নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে রিটার্নিং অফিসারের কাছে নির্ধারিত ফরমে নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্নি দাখিল করতে হবে। গত ৩০ এপ্রিল তিন সিটি নির্বাচনে বিজয়ীদের গেজেট প্রকাশ করে কমিশন।  গত ২৯ মে তিন সিটির  মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়ার শেষ দিন ছিল। কিন্তু প্রার্থীদের ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়ার পর ১০ দিন অতিবাহিত হলেও তা এখনো ইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়নি।
 
দুই রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহ আলম ও মিহির সারওয়ার মোর্শেদ জানান, প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ে ব্যয়সীমার মধ্যেই নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দেখিয়েছেন। তবে তথ্য সঠিক কিনা তা এখনো যাচাই বাছাই করা হয়নি। প্রার্থীদের ব্যয়ের রিটার্নি দ্রুত ওয়েবসাইটে দেয়া হবে বলে জানান তারা।  
 
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে এবার মেয়র পদে ৩৬ জন এবং কাউন্সিলর পদে আট শতাধিক প্রার্থী ছিলেন। ভোটার সংখ্যার অনুপাতে এবার মেয়র পদের প্রার্থীদের জন্য উত্তরে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা এবং দক্ষিণে ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ের সুযোগ ছিল। এছাড়া মেয়র পদের প্রার্থীদের ব্যক্তিগত খরচ করতে পারে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা।