একদিকে অভিজ্ঞ এক ফর্মহীন বোলার, আরেকদিকে অনভিজ্ঞ এক দুরন্ত ফর্মের ব্যাটসম্যান। কার জয় হবে?
শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতারই জয় হলো। একটানা রান আটকে রেখে অভিজ্ঞ হরভজন সিং একেবারে অধৈর্য্য করে ফেললেন মুমিনুল হককে। তারই ফলে সম্ভবত ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে ও নিজের জন্য বেমানান এক শট করে বসলেন নীরিহ এক ডেলিভারিতে। আর তাতেই শেষ হয়ে গেলো কার্যত মুমিনুলের ডি ভিলিয়ার্সকে ছোঁয়ার স্বপ্ন।
পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা ১১ টেস্টে ফিফটি করে শচীন টেন্ডুলকারদের ছাড়িয়ে মুমিনুল উঠে গিয়েছিলেন ভিভ রিচার্ডসদের কাতারে; সামনে ছিলেন তার শুধুই এবি ডি ভিলিয়ার্স। শনিবার তর তর করে ৩০ রানে পৌঁছে যাওয়ায় দারুণ সুযোগ ছিলো এই বিশ্বরেকর্ডটিতে ভাগ বসানোর।
এখনও কাগজে কলমে সে সম্ভাবনা আছে। কারণ, বাংলাদেশের আরও একটা ইনিংস এই টেস্টে বাকি। কিন্তু সেই ইনিংসে মুমিনুলের মাঠে নেমে ফিফটি করাটা সুদূরতম এক কল্পনা।
মুমিনুল টানা এগারো টেস্টে কোনো না কোনো ইনিংস পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস খেলে বিশ্বেরই দৃষ্টি কেড়েছিলেন। এই বিষয়ক রেকর্ডটা নিজের হাতে রেখেছেন এখনও টানা ১২ টেস্টে পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস খেলা এবি ডি ভিলিয়ার্স।
এই টেস্টের আগে নিজে অবশ্য বারবার বলেছেন, রেকর্ডের দিকে চোখ নেই তার। বরং চাচ্ছিলেন, ফিফটি ছাপিয়ে কিভাবে বড় ইনিংসের পথে হাটা যায়। সেটাও তো হলো না!
