মাতৃত্বকালীন ছুটি ভোগের বছরের কর্মমূল্যায়ন বিবেচনায় না নিয়ে পূর্ববর্তী বছর বা আগের তিন বছরের গড় যেটি ভালো মনে হবে, সেটি বিবেচনায় নিতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করে নারী কর্মীদের পদোন্নতির বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।
বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।
এর আগে অনেক ব্যাংক ৬ মাস মাতৃত্বকালীন ছুটি দিলেও ওই বছরের কর্মদক্ষতা খারাপ দেখায়। এতে করে ওই নারী কর্মীর পদোন্নতি পেতে সমস্যায় পড়তে হয়। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ সার্কুলার জারি করা হয়।
সার্কুলারে বলা হয়—মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকার কারণে অনেক সময় ব্যাংকে কর্মরত নারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের কাজের প্রকৃত মূল্যায়ন করা হয় না। যা নারীর উন্নয়ন, অগ্রগতি ও ক্ষমতায়নের পথে অন্তরায়। এ কারণে নারী কর্মীদের ছুটি ভোগের বছরে তাদের বার্ষিক কর্মমূল্যায়নের ক্ষেত্রে আগের বছর বা পূর্ববর্তী তিন বছরের গড়ের মধ্যে যেটি উত্তম সেটি বিবেচনায় নিতে হবে।
এতে আরো বলা হয়—বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে নারীর অবদান অনস্বীকার্য। সরকার নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছে। ফলে নারী শিক্ষাসহ নারী উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জিত হয়েছে। বিভিন্ন পেশায় নারীর অংশগ্রহণ দিন দিন বাড়ছে এবং ব্যাংকিং খাতেও নারীর অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য।
