মাইলফলকের হাতছানি মাশরাফি-সাকিব-তামিমের

আপডেট : ১৭ জুন ২০১৫, ২১:৫৬
 
 
কাল মিরপুরে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে দারুণ দু’টি মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলার সুযোগ মাশরাফি বিন মুর্তজা এবং মহেন্দ্র সিং ধোনির সামনে। তবে মাশরাফির চেয়ে তাত্পর্যের দিক থেকে হয়তো কিছুটা এগিয়ে থাকবেন ধোনি। কারণ, তার টস করতে নামার সঙ্গে সঙ্গে বিদেশের মাটিতে ভারতকে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দেয়ায় কিংবদন্তি অধিনায়ক আজহারউদ্দিনকে স্পর্শ করবেন তিনি।
 
অন্যদিকে, মাশরাফি তিন উইকেট পেলে মোহাম্মদ রফিককে টপকে মাশরাফি হয়ে যাবেন ভারতের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারি বাংলাদেশি। অন্যদিকে, ব্যাটিং-বোলিং দুই ক্ষেত্রেই দুটি মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন সাকিব আল হাসান।
 
ভারতের বিরুদ্ধে ১৩ টি ম্যাচ খেলে মাশরাফির উইকেট সংখ্যা ১৬। তার সেরা বোলিং ফিগার ৩৮ রানে চার উইকেট। অন্যদিকে, মাশরাফির চেয়ে একটি ম্যাচ বেশি খেলে রফিক নিয়েছেন ১৮ উইকেট। তার সেরা বোলিং ৩৫ রানে তিন উইকেট।
 
শুধু সেটাই নয়, আজকের ম্যাচটি হতে যাচ্ছে মাশরাফির দেড়শো তম ম্যাচ। আর সিরিজে আট উইকেট পেলে তিনি স্পর্শ করবেন দুইশো উইকেটের মাইলফলকও। ১৪৯ ম্যাচে মাশরাফির বর্তমান উইকেট সংখ্যা ১৯২।
তবে মাশরাফির আগেই সেটা স্পর্শ করার সুযোগ সাকিব আল হাসানের সামনে। আব্দুর রাজ্জাকের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসাবে দুইশো ওয়ানডে উইকেট পেতে সাকিবের প্রয়োজন মাত্র পাঁচ উইকেট। ভারতের বিরুদ্ধে একমাত্র টেস্টে দলের সবচেয়ে সফল বোলারটি নি:সন্দেহে চাইবেন সেটা স্পর্শ করার মাধ্যমে দলকে মাঠে সাহায্য করতে। আর মিরপুরের এই মাঠে নিজের শততম উইকেট পূর্ণকরতে সাকিবের প্রয়োজন ১৪ উইকেট। হোম অফ ক্রিকেটে ৬২ ম্যাচ খেলে তার উইকেট ৮৬।
 
ব্যাটিংয়েও সাকিবকে হাতছানি দিচ্ছে অনন্য এক রেকর্ড। টেস্টের পর এবার ওয়ানডেতে মিরপুরে দুই হাজার রান পূর্ন করার সুযোগ তার সামনে। ওয়ানডেতে কোন নির্দিষ্ট ভেন্যুতে কমপক্ষে দুই হাজার রান নেই বাংলাদেশের আর কারো। বলা বাহুল্য, এই মাঠেই সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পান খেলোয়াড়রা।
 
প্রথম বাংলাদেশি হিসাবে সেই মাইলফলক স্পর্শ করতে সাকিবের প্রয়োজন মাত্র ১৩৭ রান। খুব একটা দূরে নেই তামিম ইকবালও। এই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানের প্রয়োজন ১৫৯ রান। ৫৮ ম্যাচে এই রান এসেছে তামিমের। রান সংখ্যার পাশাপাশি রান গড়েও এগিয়ে আছেন সাকিব। তামিমের ৩২.৮৭ গড়ের বিপরীতে এই বাহাতি অলরাউন্ডারের গড় ৩৮.৮১।