পরাজয়ের সাক্ষী ধোনি, জয়ে মাশরাফি

আপডেট : ১৯ জুন ২০১৫, ২২:১৭
 
ভারত বৃহস্পতিবার তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে বাংলাদেশের কাছে হারায় ‘বাজে’ এক রেকর্ডে নাম উঠেছে দলটির ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির। বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ভারতের বিপক্ষে যে চারটি ওয়ানডে ম্যাচে জয় পেয়েছে—এর প্রত্যেকটিতেই ছিলেন ধোনি। পক্ষান্তরে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ চারটি জয়েই সাক্ষী মাশরাফি বিন মুর্তজা। প্রথম দুই জয়ে ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি। 
 
ভারত বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ হেরেছিল ২০০৪ সালের, ২৬ ডিসেম্বর, বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। ২০৩ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে ৩০ রান আগেই গুড়িয়ে যেতে হয়েছিলো অতিথিদের। ম্যাচটিতে আট নম্বরে ব্যাট করতে নেমেছিলেন ধোনি। কিন্তু ১৬ বল খেলে ১২ করতেই মাশরাফির বলে বিদায় নিতে হয় তাকে। ওই পরাজয়েও ২-১ ব্যবধানে সিরিটি নিজেদের করে নিয়েছেলো ভারত।
 
বাংলাদেশের কাছে ভারতের দ্বিতীয় পরাজয়টা ছিল ১৭ মার্চ, ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের কুইন্সপার্ক ওভালের পোর্ট অব স্পেন স্টেডিয়ামে। রাহুল দ্রাবিড়ের নেতৃত্বাধীন ভারত ওই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ১৯১ রানে অল-আউট হয়ে যায়। জবাবে পাঁচ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে নোঙ্গর বেড়ায় বাংলাদেশ। খেলায় শূন্য রানেই উইকেট ছাড়া হয়েছিলেন ধোনি।
 
বাংলাদেশের কাছে ভারতের তৃতীয় পরাজয়টি ছিল ১৬ মার্চ, ২০১২ সালে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের খেলায়। এবার দলের নেতৃত্বে ছিলেন খোদ ধোনিই। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে কিংবদন্তী শচীন টেডুলকারের শততম সেঞ্চুরিতে ৫০ ওভার শেষে ২৮৯ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় ভারত। কিন্তু দলটির বোলাররা রুখতে পারেনি বাংলাদেশ দলের ব্যাটসম্যানদের। তাদের নৈপুণ্যে পাঁচ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ টাইগাররা। ওই ম্যাচে মাত্র ২১ রান নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিলো ধোনিকে।
 
গত বৃহস্পতিবার ধোনির ভারতকে আবারো মিরপুরের শেরে বাংলায় এমনই এক হতাশায় ডুবালো বাংলাদেশ। কিন্তু এবারের পরাজয়ের ভারটা আগের থেকে অনেক বেশি। বাংলাদেশের কাছে এর আগে এতো বড় ব্যবধানে হারেনি দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। বাংলাদেশের করা ৩০৭ রানের জবাবে ধোনিবাহিনী অল-আউট ২২৮ রানে। আর বাংলাদেশের বিপক্ষে পরাজয়ের ম্যাচে বরাবরের মতো এবারো নিষ্প্রভ ধোনির ব্যাট। মাত্র পাঁচ রান করেই বিদায় নিতে হয় তাকে।