কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, ‘কৃষকদের মধ্যে উন্নত প্রযুক্তি বিস্তারে বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।’
শনিবার জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সদস্য তাজবী আলম সিদ্দিকীর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ‘কৃষি গবেষণা কার্যক্রম বৃদ্ধি ও প্রযুক্তি বিস্তারে সম্প্রসারণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিযোজন বা খাপ খাওয়ানোর নিমিত্তে আধুনিক লাগসই কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সমপ্রসারণ, কৃষিভিত্তিক শিল্প কারখানার বিদ্যুত্ বিলে শতকরা ২০ ভাগ হারে রিবেট প্রদান ও সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুত্ দ্বারা সেচ প্রদানে স্মার্ট কার্ড প্রচলন করা হচ্ছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘সারের ক্রয় মূল্য চার বার কমানোর ফলে সুষম সার ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি ও ডিএপি সারের বাজার মূল্য কেজি প্রতি যথাক্রমে ১৬ টাকা, ২২ টাকা, ১৫ এবং ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।’
মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘কৃষক পর্যায়ে সার প্রাপ্তি সহজলভ্য করা হয়। এই নীতিমালার আওতায় প্রতি ইউনিয়নে একজন করে সার ডিলার এবং নয় জন করে খুচরা সার বিক্রেতা নিয়োগ প্রদান, কৃষকদের সারের চাহিদা তাত্ক্ষণিক দূরীভূত করতে সরকার কর্তৃক সার বিতরণ মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করেছে।’
