রেলপথ মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক বলেছেন, চট্টগ্রামে সেতু ভেঙে তেলবাহী ট্রেন দুর্ঘটনা তদন্তে দুইটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুইটি কমিটি পাঁচদিনের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট পেশ করবে। রবিবার জাতীয় সংসদে দেয়া বিবৃতিতে তিনি এই কথা বলেন।
মুজিবুল হক বলেছেন, দুর্ঘটনা তদন্তে চিফ মেকানিক্যাল (পূর্ব) এর নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি ও বিভাগীয় প্রকৌশলী-১, চট্টগ্রামকে আহ্বায়ক করে আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুইটি কমিটি দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই দায়িত্ব অবহেলার জন্য সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী, চট্টগ্রাম আবদুল হালিম ও ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সেতু) আকবর আহমেদ ফেরদৌসকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে সেতুটির অস্থায়ী কাঠামো পুননির্মাণের জন্য সিসি ক্রীব, জয়েন্ট, স্লিপার, রেল ও অন্যান্য সামগ্রী ব্রিজ সাইটে আনা হয়েছে। অস্থায়ী কাঠামো থেকে ওয়াগন সরানোর পরপরই অস্থায়ী কাঠামোর পুননির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, অস্থায়ী কাঠামো এবং এর উপর রেলপথ পুনর্নির্মাণের পর লাইনচ্যুত ইঞ্জিন এবং ভূমিতে থাকা ওয়াগনসমূহ উদ্ধার করা যাবে। উদ্ধার কাজ সমাপ্ত করে ট্রেন যোগাযোগ পুনরায় চালু করতে আরো তিনদিন সময় লাগবে। দুর্ঘটনাস্থল সেতুর উপর হওয়ায় রেল যোগাযোগ পুনঃস্থাপন ও উদ্ধার কার্যক্রমে অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হচ্ছে বলে তিনি জানান।
মন্ত্রী বলেন, দুর্ঘটনায় পতিত তিনটি ট্যাংক থেকে কিছু ফার্নেস অয়েল খালের পানিতে পড়ে যায়। খালের পানিতে পড়ে যাওয়া তেল যাতে চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য পরিবেশ অধিদফতরের পরামর্শ অনুযায়ী তেল অপসারণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পরপরই কিছু তেল আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে যা অপসারণের জন্য পরিবেশ অধিদফতরের সহায়তা চাওয়া হয়েছে।
