বিভাগীয় কমিশনারকে চেয়ারম্যান করে সমন্বয় কমিটি

আপডেট : ২২ জুন ২০১৫, ০১:০৩

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার বেঙ্গুরা এলাকায় রেলসেতু ভেঙে তেলবাহী ওয়াগন পড়ে গিয়ে ফার্নেস অয়েল ছড়ানোর কারণে পরিবেশ বিপর্যয় ঠেকাতে দ্রুততার সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পদক্ষেপ নিয়েছে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়। গতকাল রবিবার পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর সভাপতিত্বে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, এটি একটি আকস্মিক দুর্ঘটনা। এটি মোকাবেলা করার মত যথেষ্ট সামর্থ্য আমাদের রয়েছে। আশা করি সংশ্লিষ্ট সকলে এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

 
পরিবেশ সচিব ড. কামাল উদ্দিন আহেমদ বলেন, আকস্মিকভাবে সংঘটিত এ দুর্ঘটনাকে কার্যকর সমন্বয়ের সাথে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে মোকাবেলা করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনারকে চেয়ারম্যান করে সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রধানদের নিয়ে একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।
 
এদিকে গত ১৯ তারিখ ঘটনার পর পরই পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম অফিসের পরিচালক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। গতকাল রবিবার পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেছেন। জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক বিষয় বিবেচনা করে দ্রুত তেল অপসারণের কাজ চলছে। অপসারিত তেল বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন নগদ মূল্যে ক্রয় করবে। রেল ওয়াগন দ্রুত অপসারণ করার জন্য রেল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
 
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রেলওয়ে কর্মকর্তাবৃন্দ ও জনসাধারণের অংশগ্রহণে পানিতে ভাসমান তেল সংগ্রহ এবং তেল যাতে পানির  সাথে আশেপাশের এলাকায় ও কর্ণফুলী নদীতে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সে জন্য বাঁশ, কলাগাছ, কচুরিপানা ও খড়ের দ্বারা আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে তেল নিঃসরণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
 

বৈঠকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, মত্স্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।