এখন থেকে শুদ্ধাচার ও দুর্নীতি প্রতিরোধ কার্যক্রমের প্রচারণা কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) ব্যয় হিসাবে বিবেচিত হবে। একই সঙ্গে কোনো প্রতিষ্ঠান সচেতনতামূলক এ ধরনের কাজের প্রচারণায় আর্থিক সহায়তা দিলেও তা এ খাতে ব্যয় হয়েছে বলে ধরতে হবে। মঙ্গলবার এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে দেশে কার্যরত সর ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের পাঠানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রিন ব্যাংকিং অ্যান্ড সিএসআর বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ ব্যয় কী ভাবে হিসাব হবে সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হয়েছে। গত ১০ জুনের প্রজ্ঞাপনপত্রের মাধ্যমে জারিকৃত ফরম্যাটের ‘অন্যান্য’ খাতে এ ব্যয়কে প্রদর্শনের জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বলা হয়েছে।
এ দিকে, আরেকটি প্রজ্ঞাপনপত্রে বলা হয়েছে—রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) জনগোষ্ঠীর জীবনযাপনের মানোন্নয়নের ব্যয়ও সিএসআর কার্যক্রমের নির্দিষ্ট তালিকায় অর্ন্্তভুক্ত হবে।
প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে নীতিমালা করে সিএসআরকে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোতে নিয়ে আসে বাংলাদেশ ব্যাংক। নীতিমালা অনুযায়ী—একটি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে তার সিএসএর কার্যক্রমের জন্য বরাদ্দ করা অর্থের ৩০ শতাংশ শিক্ষাখাতে এবং ২০ শতাংশ স্বাস্থ্য ও চিকিত্সা খাতে ব্যয় করতে হবে। বাকি অর্থ তাত্ক্ষণিক দুর্যোগ মোকাবিলা, পরিবেশ-বান্ধব টেকসই জীবনশৈলী গ্রহণ, শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশ, খেলাধুলা ও সুবিধা-বঞ্চিতদের বিনোদন, অগ্নি নির্বাপনী সংস্থার মতো জীবন রক্ষাকারী সংস্থার প্রযুক্তির উন্নয়নসহ নির্দিষ্ট কিছু খাতে ব্যয় করা যাবে। এ সবের সঙ্গে এখন যুক্ত হলো শুদ্ধাচার ও দুর্নীতি প্রতিরোধ কার্যক্রমে প্রচারের ব্যয়।
