অতিদরিদ্রদের পৃথক বরাদ্দের দাবি উন্নয়ন অন্বেষণের

আপডেট : ২৪ জুন ২০১৫, ১৭:৩৮
 
 
বেসরকারি প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন অন্বেষণের বাজেট-পরবর্তী এক সভায় বক্তারা বলেছেন, অতিদরিদ্র্যদের জন্য পৃথক অর্থ বরাদ্দ করা হলে দারিদ্র্য হ্রাস করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে অতি দারিদ্র্যকে ‘টার্গেট’ করে এগোতে হবে।
 
দারিদ্র্য বিমোচন করলে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব উল্লেখ করে সভায় বক্তারা বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে গরীব মানুষকে দরিদ্রতার কবল থেকে বের করে আনতে হবে। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে উন্নয়ন সমন্বয় আয়োজিত ‘অতিদারিদ্র্য নিরসন: জাতীয় বাজেটের ভূমিকা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এ সব কথা বলেন।
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যায়ন বিভাগের প্রফেসর তৈয়েবুর রহমান। অনুষ্ঠানে  সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান মিজবাহ এমপি, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট টিপু সুলতান এমপি এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য নাজমুল হক প্রধান এমপি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
 
সভায় বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেছেন, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ভিত্তি হচ্ছে বাজেট। দারিদ্র্য নিরসনে জাতীয় বাজেটে যদি পর্যাপ্ত অর্থ সংস্থান রাখা না হয়, তাহলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি সরকারকে সন্ত্রাসের মতো দুর্নীতি বিষয়েও ‘জিরো টলারেন্স’ দেখানোর সুপারিশ করেন।
 
সভায় বক্তারা বলেন, স্থানীয় সরকারকে ক্ষমতায়িত করা এবং বাজেট বাস্তবায়ন ক্ষেত্রে বরাদ্দকৃত অর্থ কোনো খাতে ব্যবহূত হচ্ছে তার মনিটরিং ও জবাবদিহিতা থাকলে কোনো ধরনের দুর্নীতি হবে না।