আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের পার্লামেন্ট ভবনে তালেবানের চালানো হামলা প্রতিরোধ করে বীরের মর্যাদা পেয়েছেন এক আফগান সেনা। পদোন্নতি ও বাড়ি-গাড়ি উপহার দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়েছে তাকে।
সোমবার পার্লামেন্ট ভবনের সামনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সার্জেন্ট ঈশা খান একাই হামলাকারী সাত বিদ্রোহীর মধ্যে ছয়জনকে হত্যা করেন। যে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হামলাটি শুরু করা হয়েছিল খান তার কাছেই দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
ওই দিনই টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ফুটেজে সার্জেন্ট খানকে জঙ্গিদের মৃতদেহের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
গাড়িবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো সত্ত্বেও নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতিরোধে পার্লামেন্ট ভবনে প্রবেশ করতে পারেনি হামলাকারীরা।
টুইটারে প্রশংসার বন্যায় ভাসা সার্জেন্ট খান বলেন, আমি তাদের মেরে ফেলি। আমি সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম, দেখলাম তারা পার্লামেন্টের দিকে দৌড়ে আসছে। আমি একজনকে গুলি করলাম, দেখলাম আরেকজন আসছে। আমি ছয়জনকেই গুলি করি, ছয় জনই মারা যায়।
ঘটনার সময় আফগান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় বলেছিল, সাত হামলাকারীকে হত্যা করে পুলিশ হামলাটি প্রতিরোধ করেছে। পরে হামলাকারীদের প্রতিরোধে সার্জেন্ট খানের ভূমিকা পরিষ্কার হয়। কাবুলের নিজ দপ্তরে খানকে ডেকে নিয়ে শুভেচ্ছা জানান দেশটির প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি। সেনাবাহিনীতে তাকে পদোন্নতির পাশাপাশি তাকে একটি নতুন ফ্ল্যাট উপহার দেয়া হয়।
পরে জানা যায়, দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল রশিদ দোস্তাম সার্জেন্ট খানকে একটি নতুন গাড়ি, নগদ অর্থ ও একটি মেডেল দিয়েছেন, পাশাপাশি কয়েকজন পার্লামেন্ট সদস্য তাদের এক মাসের বেতন উপহার দিয়েছেন। সুত্র: বিবিসি
