মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে কমিয়ে ১৬ করা হলে তা হেফাজতে ইসলামসহ ইসলামি মৌলবাদি দলগুলোকে উৎসাহিত করা হবে বলে মন্তব্য করেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান।
সোমবার কন্যা শিশুর ন্যূনতম বিয়ের বয়স ১৮ বহাল রাখার দাবিতে ৬৯টি নারী, মানবাধিকার ও উন্নয়ন সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
মিজানুর রহমান বলেন, এই সিদ্ধান্ত হবে উগ্রপন্থি ইমলামি দলগুলোর পক্ষে নীরব সমর্থন।
জাতীয় প্রেসক্লাব অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি আয়শা খানম।
এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ড. মিজানুর রহমান, ইউ এন এফ পি এর জেন্ডার বিভাগের এক্টিং হেড সামীমা পারভীন, ইউএনডিপি বাংলাদেশের জেন্ডার পলিসি এন্ড এডভাইজার সারা বামস্টেড, ইউনিসেফের জেন্ডার এন্ড ডেভলপমেন্ট স্পেসালিষ্ট রশনি বসু এবং সেভ দ্যা চিলড্রেন বাংলাদেশের চাইল্ড প্রটেকশন অ্যাডভাইজার পরিচালক লাইলা খন্দকার।
সভায় বক্তব্য রাখেন, উইমেন ফর উইমেনের প্রাক্তন সভাপতি সালমা খান, বর্তমান সভাপতি জাকিয়া কে হাসান, মানবাধিকার কর্মী ড. হামিদা হোসেন, জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সালমা আলী, কর্মজীবী নারীর নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া রফিক বেবী, জাতীয় নারী জোটের আহ্বায়ক আফরোজা হক রীনা, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, স্টেপস টুওয়ার্ডস এর নির্বাহী পরিচালক রঞ্জন কর্মকার, অধ্যাপক নাজমা হাসান, হাঙ্গার প্রজেক্টের ম্যানেজার দিলীপ কুমার সরকার, অ্যাডাব এর প্রতিনিধি কাওসার আলম, ব্র্যাক এর প্রতিনিধি চিররঞ্জন সরকার এবং অপরাজেয় বাংলাদেশের ওয়াহিদা বানু প্রমুখ।
