নারী বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে পাঁচটায় মুখোমুখি হবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন জাপান এবং প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে ওঠা ইংল্যান্ড। ম্যাচটি জিতে দ্বিতীয় দল হিসেবে টনা দ্বিতীয়বার শিরোপা জেতার লক্ষ্যে আরো একধাপ এগিয়ে যেতে চাইবে কোচ নোরিও সাসাকির জাপান। অন্যদিকে প্রথমবারের মতো ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে ইংলিশরা।
কানাডার এডমন্টনের কমনওয়েলথ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ম্যাচটিতে ফেভারিটের তকমা নিয়েই মাঠে নামবে জাপান। টুর্নামেন্টে এ পর্যন্ত সব কয়টি ম্যাচ জেতা একমাত্র দল তারাই। যদিও প্রত্যেকটি ম্যাচ সর্বনিম্ন ব্যবধানে জিতেছে এশিয়ান মেয়েরা। তাই আক্রমণভাগ নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তায় থাকবেন জাপানি কোচ সাসাকি। টুর্নামেন্টের পাঁচ ম্যাচের মোট সাত গোল এসেছে সাতজন খেলোয়াড়ের কাছ থেকে। আলাদাভাবে কোন খেলোয়াড় জ্বলে না ওঠায় শেষ চারের লড়াইয়ে দলীয় শক্তির উপর নির্ভর করতে হবে ‘নাদেশিকোদের’।
জাপানি ভক্তরা আশা করবেন, আজও প্রয়োজনীয় মুহূর্তে কেউ না কেউ জ্বলে উঠবে। এক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে মানা ইয়াবুচির শেষ মুহূর্তের গোলটি ভরসা দিবে তাদের। টুর্নামেন্টের পাঁচ ম্যাচে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা মাত্র দুই গোল জড়াতে পেরেছে জাপানের জ্বালে। রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের নিয়ে তাই তেমন চিন্তা করতে হবে না বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। অন্যদিকে কোয়ার্টার ফাইনালে কানাডাকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠে কিছুটা উজ্জীবিত ইংল্যান্ড। কানাডার বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচটি নিশ্চিতভাবে অনুপ্রাণিত করবে কোচ স্যাম্পসনের দলকে। ফ্রান্সের সাথে ১-০ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করলেও এরপর টানা চারটি ম্যাচ জিতেছে ইংলিশরা। তাই ‘আন্ডার ডগ’ হিসেবে মাঠে নামলেও জাপানকে ছেড়ে কথা বলবে না ইংল্যান্ডের মেয়েরা। টুর্নামেন্ট জুড়েই দলকে আক্রমণাত্মক খেলিয়েছেন কোচ স্যাম্পসন।
জাপানের বিপক্ষেও একই কৌশল নিতে পারেন তিনি। এক্ষেত্রে ইংলিশ কোচের প্রধান ভরসা থাকবে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ফরোয়ার্ড জোদি টেইলরের উপর। বিশ্বকাপে জাপানের বিপক্ষে রেকর্ডটাও খারাপ না ইংলিশদের। একটি ড্র এর পাশাপাশি তিন ম্যাচে সমান জয়ে সমাস্থানে আছে তারা। সেমিফাইনালে জাপানকে হারিয়ে ইংল্যান্ড চাইবে নিজেদের গৌরব গাঁথাকে আরো উচ্চতায় নিয়ে যেতে।
