‘নিম্ন-মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ায় সরকারের কৃতিত্ব নেই’

আপডেট : ০২ জুলাই ২০১৫, ২০:২৯
 
বিশ্বব্যাংকের সূচকে বাংলাদেশের নিম্ন-মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পেছনে সরকারের কোনো কৃত্বি নেই বলে দাবি করেছে বিএনপি। দলটির মতে, এটি জনগণের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফল, এখানে সরকারের ধন্যবাদ পাওয়ার কিছু নেই। বিশ্বব্যাংক মাথাপিছু আয়ের হিসাবে বাংলাদেশকে নিম্ন-মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার পরদিন বৃস্পতিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন বিএনপির মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন।
 
রিপন বলেন, অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে আমাদের নারীরা তিন শিফটে কাজ করছে, জনগণ বন্যার পানি ডিঙিয়ে গরু-ছাগল রক্ষার জন্য কাজ করছে। বিদেশ থেকে যুবকরা দেশে এসে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে অর্থনীতি সচল করার  চেষ্টা করছে, এটা তারা নিজেদের উদ্যোগেই করছেন। তিনি বলেন, লুটপাট না থাকলে বাংলাদেশ মধ্য আয়ের  দেশে আগেই পৌঁছাতে পারতো। সরকারি খাতে কোনো বিনিয়োগ নেই, বরং চতুর্দিকে দুর্নীতি।
 
ব্যাংক কেলেঙ্কারির ‘দুষ্টু লোক’দের তালিকা প্রকাশ করুন
 
ব্যাংক কেলেঙ্কারিতে জড়িতদের তালিকা প্রকাশ করতে অর্থমন্ত্রীর প্রতি দাবি জানানা ড. রিপন। ‘দলীয় লোকজনের বাধায় জালিয়াত ব্যাংক কর্মকর্তাদের ধরতে পারিছ না’- সোনালী ব্যাংক নিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে এই বক্তব্যের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা জানতে চাই, যারা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে লুটপাট করেছে, অর্থমন্ত্রীর ভাষায় যারা দুষ্টু লোক, তারা কারা? আমরা অর্থমন্ত্রীর কাছে দাবি করছি, তাদের নাম জাতির সামনে প্রকাশ করুন। অর্থমন্ত্রীকে বলব, আপনি সাহসী উচ্চারণ করুন। যারা দেশের ব্যাংক খাতে লুটপাট করেছে, তাদের মুখোশ উন্মোচন করে দিন। এই প্রসঙ্গে রূপালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান নিয়োগ নিয়ে অর্থমন্ত্রী মুহিতের সমালোচনাও করেন রিপন।
 
তিনি বলেন, আমি জানি এই ভদ্রলোক একজন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ। অর্থমন্ত্রী তাকে চেয়ারম্যান করে অর্থনীতিবিদ বানিয়ে ফেলেছেন। অর্থমন্ত্রী স্বজনপ্রীতি না দেখালে রূপালী ব্যাংকের অবস্থা আরও ভালো হত।