আন্তর্জাতিক ঋণদাতাদের শর্তের ওপর রবিবার গণভোটের আগে গ্রিসের রাজধানীতে দুই পক্ষ সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সিস সিপরাস ‘না’ ভোটের সমর্থনে সমাবেশে থাকবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নেতারা হুঁশিয়ার করেছেন, ‘না’ ভোট জয়ী হওয়ার অর্থ হল গ্রিসের ইউরোজোন থেকে বেরিয়ে যাওয়া।
গ্রিস নতুন করে তহবিল পেতে ব্যর্থ হওয়ার পর দেশটির অর্থনীতি ইতোমধ্যে সংকুচিত হয়ে গেছে। ব্যাংকগুলো এক সপ্তাহের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এবং এটিএম বুথগুলো থেকে এক দিনে মাত্র ৬০ তোলা যাচ্ছে।
গত সপ্তাহে গণভোটের ঘোষণা দেয়ার পর দেশটিতে পক্ষ-বিপক্ষ তৈরি হয়েছে। উভয় পক্ষ নিজেদের দিকে ভোটার টানতে তৎপরতা শুরু করেছে। ভোটার টানতে পোস্টার লাগিয়েছে।
গণভোট নিয়ে এথনোস পত্রিকা শুক্রবার এক জনমত জরিপ চালায়। এতে দেখা যায় ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’র পক্ষে প্রায় সমান সমান ভোটার রয়েছে। হ্যাঁ এর পক্ষে ৪৪ দশমিক ৮ শতাংশ ও না এর পক্ষে ৪৩ দশমিক ৪ শতাংশ ভোট পড়ে।
তবে প্রচারণা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত গণভোট স্থগিত হয়ে যেতে পারে এমন সুযোগও আছে। গ্রিসের শীর্ষ আদালত কাউন্সিল অব স্টেট রবিবারের গণভোটের বৈধতা নিয়ে রুল জারি করবে।
গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী সিপরাস বলেছেন, একটি শক্তিশালী না ভোট আন্তর্জাতিক ঋণদাতাদের সঙ্গে একটি ভাল চুক্তির পথ ত্বরান্বিত করবে।
তবে ইউরোজোনের নেতারা হুঁশিয়ার করেছেন, ‘না’ ভোট জয়ী হওয়ার অর্থ হল গ্রিসের ইউরোজোন থেকে বেরিয়ে যাওয়া। কিন্তু সিপরাস বলেছেন, গ্রিস তা চায় না। সূত্র: বিবিসি
