ঈদ: ছিনতাইকারী-অজ্ঞান পার্টির দৌরাত্ম্য, কঠোর পদক্ষেপ

আপডেট : ০৬ জুলাই ২০১৫, ১৩:১৪
আসন্ন ঈদে নিরাপত্তার ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও অন্যান্য নিরাপত্তা কর্মীরা। এছাড়া ঈদে রাজধানীতে বাসাবাড়ির নিরাপত্তা, মহল্লাভিত্তিক ব্যবস্থা নেবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। 
 
পুলিশ সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে এমনটি জানিয়েছেন আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক। ঈদে বাড়ি যাবার সময়, রাজধানীবাসীকে ভালো করে ঘর তালাবদ্ধ করে যাবারও পরামর্শ দেন তিনি।
 
এদিকে, ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন শপিংমল ও বিপণি-বিতানে কেনাকাটা করতে আসা মানুষের চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ। আর এ সুযোগে তৎপর পকেটমার, ছিনতাইকারীসহ অজ্ঞান পার্টির সদস্যরাও। রাজধানীর বেশিরভাগ মার্কেটগুলোতে এখন মানুষের অতিরিক্ত চাপ। আর একে কাজে লাগাতে তৎপর সুযোগ সন্ধানীরাও।
 
এ অবস্থায় সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জোরালো ভূমিকার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। অবশ্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ বলছে, সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
 
ঢাকা নিউ সুপার মার্কেট (দক্ষিণ) বণিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ সহিদ উল্লাহ বলেন, প্রত্যেকটা মার্কেটে মহিলা পকেটমারদের সংখ্যা বেশি। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মহিলারাই। কারণ অনেকেই জানে না যে মহিলা পকেটমার আছে।
 
তিনি আরও বলেন, ছাত্র নামধারী কিছু যুবক একটা চাঁদার ধান্দায় থাকে। ইতোমধ্যে পুলিশকে জানিয়েছি আমরা।
 
অবশ্য পুলিশ জানিয়েছে, ঈদের আগের দিন গভীর রাত পর্যন্ত শপিংমল কেন্দ্রিক নিরাপত্তা বজায় থাকবে।
IMG0 
 
অন্যদিকে ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতি'র সভাপতি তৌফিক এহসান বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সব সময় টহলরত রয়েছেন। আমাদের মার্কেটের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা বাহিনী, সিসি ক্যামেরা, কমিউনিটি পুলিশ সরবরাহ করে থাকি।
 
অভিজাত শপিংমলগুলোতে নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছে সরকারের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও। তবে, অন্যান্য বিপণী বিতানগুলোতে যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেয়া হয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয় বলে তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।