গ্রিসের ক্রমবর্ধমান ঋণ সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি সম্মেলন ডেকেছে ইউরোজোন। গ্রিক প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্স সিপ্রাস সম্মেলনে নতুন প্রস্তাব দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন পরিকল্পনার মধ্যে গ্রিসের ঋণ ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনার প্রস্তাব রয়েছে।
রবিবার দেশটির জনগণ ‘না’ ভোটের মধ্য দিয়ে শর্ত দিয়ে আন্তর্জাতিক বেইলআউট প্রস্তাব নাকোচ করে দিয়েছে।
এদিকে ঋণ সংকট থেকে উত্তরণের জন্য শিগগিরই এথেন্সকে একটি নির্দিষ্ট প্রস্তাব দিতে বলেছে ফ্রান্স ও জার্মানি।
গ্রিসের নতুন অর্থমন্ত্রী ইউক্লিড সাকালোতস বিবিসিকে বলেছেন, একটি সমাধান খুঁজে বের করতে আলোচনার জন্য হয়তো এক সপ্তাহ থেকে দশদিন প্রয়োজন হবে।
গ্রিসের ব্যাংকগুলো বুধবার পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
ইউরোজোনের নেতাদের পূর্ণ সম্মেলন শুরুর আগে সেখানকার অর্থমন্ত্রীরা ব্রাসেলসে মঙ্গলবার রাতে তাদের বৈঠক শুরু করবেন।
সিপ্রাস গ্রিসের ঋণদাতাদের বেশিরভাগ শর্ত মেনে নিতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
২০১০ সাল থেকে ইউরোপীয় কমিশন, ইউরোপীয় সেন্ট্রাল ব্যাংক ও আইএমএফের কাছ থেকে দুই দফায় প্রায় ২৪০ বিলিয়ন ইউরো ঋণ নেয় গ্রিস। তবে ওই টাকার জন্য পেনশন, বেতন ও সরকারি সেবায় কাটছাঁটসহ কঠিন কৃচ্ছ্বতার শর্ত মেনে নিতে হয় গ্রিসের জনগণকে।
গ্রিসকে দেয়া ইউরোজোনের চলতি বেইল আউটের মেয়াদ শেষ হয় গত ৩০ জুন। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে নেওয়া ঋণের ১৬০ কোটি (১ দশমিক ছয় বিলিয়ন) ইউরো পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় একই দিনে খেলাপি হয়ে যায় গ্রিস।
নতুন করে সহায়তার জন্য (বেইল আউট) গ্রিসকে কর বাড়ানোর পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক ব্যয় কমানোসহ কঠিন আর্থিক পুনর্গঠনের শর্ত দেয় ইউরোজোন। এসব কঠিন শর্তের বিরোধিতা করে এই সিদ্ধান্তের ভার জনগণের উপর দেয় বামপন্থি সরকার। রবিবার ৬১ শতাংশ ভোটার দাতাদের শর্ত প্রত্যাখ্যান করে ‘না’ ভোট দেয়।
গ্রিসকে দেয়া ইউরোজোনের চলতি বেইল আউটের মেয়াদ শেষ হয় গত ৩০ জুন। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে নেওয়া ঋণের ১৬০ কোটি (১ দশমিক ছয় বিলিয়ন) ইউরো পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় একই দিনে খেলাপি হয়ে যায় গ্রিস।
নতুন করে সহায়তার জন্য (বেইল আউট) গ্রিসকে কর বাড়ানোর পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক ব্যয় কমানোসহ কঠিন আর্থিক পুনর্গঠনের শর্ত দেয় ইউরোজোন। এসব কঠিন শর্তের বিরোধিতা করে এই সিদ্ধান্তের ভার জনগণের উপর দেয় বামপন্থি সরকার। রবিবার ৬১ শতাংশ ভোটার দাতাদের শর্ত প্রত্যাখ্যান করে ‘না’ ভোট দেয়।
