বিক্ষোভের মুখে তুরস্কে থাই দূতাবাস বন্ধ

আপডেট : ১০ জুলাই ২০১৫, ১৮:৫৭
 
চীনের সংখ্যালঘু মুসলমান উইঘুর সম্প্রদায়ের ১০০ জনকে থাইল্যান্ড থেকে চীনে ফেরত পাঠানোর পর বিক্ষোভের মুখে তুরস্কে দূতাবাস বন্ধ করে দিয়েছে থাইল্যান্ড।
 
রাষ্ট্রীয় ও স্থানীয়ভাবে নিপীড়নের শিকার উইঘুর সম্প্রদায়ের লোকেদের চীনে ফেরত পাঠানোয় বৃহস্পতিবার ইস্তাম্বুলে থাই কনস্যুলেটের সামনে শত শত মানুষ বিক্ষোভ দেখিয়েছে। এসময় তারা চীনের পতাকাতে অগ্নিসংযোগ করে। এক পর্যায়ে উইঘুর সমর্থকরা দূতাবাসের ভেতরেও ঢুকে পড়ে। এর পর আজ শুক্রবার আঙ্কারার দূতাবাস ও ইস্তাম্বুলের কনস্যুলেট বন্ধ করে দিল থাই সরকার। বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণে পুলিশ পেপার স্প্রে ব্যবহার করে।।
 
বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন উইঘুরদের চীনে ফেরত পাঠানোয় থাই সরকারের সমালোচনা করেছে। তবে উইঘুরদের ওপর নিপীড়নের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে চীন। দেশটি বলছে, থাইল্যান্ড থেকে ফেরত পাঠানোরা ছিলেন অবৈধ অভিবাসী।
 
চীনের পশ্চিমাঞ্চলের জিনজিয়ান প্রদেশে উইঘুরদের রোজা থাকতে সরকারিভাবে বাধা দেয়ার খবর বিক্ষুব্ধ করে তুলেছিল তুর্কিদের।
 
চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় জিনজিয়ান থেকে তুর্কি ভাষী সম্প্রদায়টির কয়েক হাজার মানুষ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। তাদের অনেকেই দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া হয়ে তুরস্কে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। গত কয়েক বছরে সম্প্রদায়টির ওপর চালানো সহিংসতায় কয়েক শ মানুষ  নিহত হয়েছেন।
 
ইউঘুরদের প্রতি চীনের দৃষ্টিভঙ্গি তুরস্কের অনেকের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ একটি ইস্যু হিসেবে বিবেচিত। ভাষা ও ধর্মীয় ঐক্যের কারণে তুর্কিরা উইঘুরদের দুর্দশায় সমব্যথী। সূত্র: বিবিসি