একই বিমানে করে চট্টগ্রামে গেছে দুই দল। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের ফলাফল দুই দলকে দাঁড়ও করিয়ে ফেলেছে একই বিন্দুতে। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে আজ যে জিতবে, ট্রফি তার। এ ট্রফির লড়াইয়ে আজ দুপুর তিনটা থেকে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
কাগজ-কলমের হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার তুলনায় বাংলাদেশ একটু পিছিয়ে থাকা দলই বটে। কিন্তু প্রথম দুই ম্যাচের পর এ ব্যবধানটা অন্তত একটুও আর চোখে পড়ছে না। দুই ম্যাচে দুই দল একেবারে একই ভঙ্গিতে প্রতিপক্ষকে গুড়িয়ে দিয়ে জয় পেয়েছে। প্রথম ম্যাচে আগে ব্যাট করা বাংলাদেশকে ১৬০ রানের ঘরে আটকে হেসে-খেলে জিতেছিলো দক্ষিণ আফ্রিকা। আর দ্বিতীয় ম্যাচে ঠিক একই কাজ করলো বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের সহ-অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বলছেন, আজ সিরিজ জিততেই মাঠে নামবেন তারা। প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের এ বড় সুযোগটা নষ্ট করতে চাই না। ‘আমরা যখন মাঠে নামি তখন তো সব ম্যাচই জেতার চিন্তা থাকে। অনেক সময় সব ম্যাচ হয়ে উঠে না। হ্যাঁ, এ ম্যাচটি সিরিজ নির্ধারণী। স্বাভাবিকভাবেই একটু বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্যই বড় একটা সুযোগ। অবশ্যই (এই জয় হবে) পাকিস্তান ও ভারতের থেকে বড়। এখন পর্যন্ত যা করেছি তাও বড়। এর আগে তো কখনো দক্ষিণ আফ্রিকাকে সিরিজে হারাতে পারিনি, এটা করতে পারলে অনেক বড় ব্যাপার হবে।’
ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের পর ষষ্ঠ দেশ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ জেতার সুযোগ এখন স্বাগতিকদের সামনে। অবশ্য দক্ষিণ আফ্রিকান স্পিনার ইমরান তাহির বলছেন, সিরিজ হারের শঙ্কায় কোনো দুর্ভাবনা নেই তাদের, ‘আমরা এটা নিয়ে মোটেও উদ্বিগ্ন নই। ওরা যদি ভালো খেলে তাহলে ওরা জিতবে। তবে আমরা এমন একটি দল যারা কখনো চ্যালেঞ্জ থেকে পিছিয়ে যাই না। আমরা এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উন্মুখ হয়ে আছি।’
সিরিজ জয়ের এ লড়াইকে সামনে রেখে বাংলাদেশের একাদশে কোনো পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা নেই। যদিও খুব সামান্য একটা মত আছে যে, ব্যাটসম্যান একজন কমিয়ে একজন বাড়তি স্পিনার যোগ করার। একাদশে পরিবর্তন আসছে না দক্ষিণ আফ্রিকার।
উইকেট চিরায়তভাবেই জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে একটু বেশি ব্যাটিং সহায়ক হয়। তবে আজ বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে পঞ্চাশ শতাংশ। তেমন হলে আবারো ব্যাটসম্যানদের বধ্যভূমি হতে পারে।
