স্বল্প মূলধনী কোম্পানির জন্য পৃথক মার্কেট হচ্ছে

আপডেট : ২১ জুলাই ২০১৫, ২১:২১
 
 
চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে স্বল্প মূলধনী কোম্পানির শেয়ার লেনদেনের জন্য পৃথক মার্কেট (ট্রেডিং প্লাটফর্ম) করার বিধি বিধান চূড়ান্ত করছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এটি হলে ছোট ছোট কোম্পানিগুলোও শেয়ারবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে পারবে। বর্তমানে ন্যূনতম ৩০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন না হলে কোনো কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারে না।
 
বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত স্বল্প মূলধনীর সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়নি। তবে পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণের ভিত্তিতে তা নির্ধারণ করা হবে। ৩০ কোটি টাকার কম পরিশোধিত মূলধনী কোম্পানিকে স্বল্প মূলধনী হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে। সঙ্গে আনুষঙ্গিক কয়েকটি উপাদানও যোগ করা হবে।
 
এ দিকে, বর্তমানে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে এ প্লাটফর্মে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেয়া হলে তাদেরকে পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর জন্য সময় দেয়া হতে পারে।
 
জানা গেছে, শেয়ারবাজারে স্বল্প মূলধনী কোম্পানির লেনদেনযোগ্য (ফ্রি-ফ্লোট) শেয়ার সংখ্যা কম এবং ঝুঁকি বেশি থাকায় কেবল প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিশ্রেণির বড় বিনিয়োগকারীরা এ বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ নিতে পারবেন। এ ছাড়া, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিনিয়োগের সুযোগ থাকবে।
 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্বল্প মূলধনী কোম্পানিগুলো বর্তমানে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে পারছে না। এসব  কোম্পানি ব্যাংক থেকে বেশি সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালায়। স্বল্প মূলধনী কোম্পানির জন্য পৃথক মার্কেট হলে ছোট মূলধনেরকোম্পানিগুলোও তালিকাভুক্ত হয়ে শেয়ারবাজার থেকে মূলধন তুলতে পারবে। ছোট ছোট কোম্পানি এ বাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করে একটা পর্যায়ে আসবে এবং মূল বাজারে তালিকাভুক্তির শর্ত পূরণ করতে পারবে।